পৃথক ভাইরাসের উপস্থিতির পরীক্ষা চালুর বিষয়ে চিন্তাভাবনা জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের
দি নিউজ লায়নঃ সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামছে পুরসভা ও স্বাস্থ্য দপ্তর।শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে ৬টি লালরসের নমুনা পাঠানো হচ্ছে ক্যালকাটা স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে। সত্ত্বর উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পৃথক ভাইরাসের উপস্থিতির পরীক্ষা চালুর বিষয়ে চিন্তাভাবনা নিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। অনুমোদন মিললে রাজ্যের তরফে কিট এলেই করা যাবে পরীক্ষা।
জ্বরের কারন জানতে জ্বর সর্দি নিয়ে ভর্তি শিশুদের নমুনা পাঠানো হচ্ছে ক্যালকাটা স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে। সেখান থেকে রিপোর্ট হাতে মিলতে কিছুটা সময় সাপেক্ষ বিষয়। তাই সময় কমিয়ে চিকিৎসার গতি ত্বরান্বিত করতে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভিআরডিএল ল্যাবের ভিন্ন কোনো ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে কিনা তা শনাক্তকরনের পরীক্ষা সত্ত্বর চালুর বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে।
তা চালু হলে কলকাতায় নমুনা।পাঠানো এবং রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। ২৪ঘন্টার মধ্যেই রিপোর্ট মিলবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ টিমের সদস্য ডাঃ শান্তনু হাজরা জানান উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভিআরডিএল ল্যাবেই অন্য কোন ভাইরাসের উপস্থিতি ও প্রকৃতি পরীক্ষা করা সম্ভব। তার জন্য যাবতীয় যন্ত্রপাতি রয়েছে আমাদের কাছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানোও হয়েছে তারা চিন্তা ভাবনা করছেন। এধরনের পরীক্ষা করতে হলে অনুমোদন প্রয়োজন। অনুমোদন ও টেস্টিং কিট মিললেই পরীক্ষা চালু করা যাবে।
এদিকে ক্রমাগত উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক বিভাগে জ্বর সর্দি নিয়ে শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অধ্যক্ষ ডাক্তার ইন্দ্রজিৎ সাহা জানিয়েছেন সম্প্রতি গত সপ্তাহে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক মিলিয়ে যে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল তাতে পাঁচ জনের শরীরে ডেঙ্গি ও ছয় জনের শরীরে স্ক্রাব টাইফাসের উপস্থিতি মিলেছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে এলাকা ভিত্তিক অতিরিক্ত সতর্কতাও নিচ্ছে শিলিগুড়ি পুরো নিগম। এলাকাভিত্তিক জমা জল পর্যবেক্ষণ ও স্প্রেয়িং বাড়ানো হয়েছে। এদিন পুর প্রশাসক গৌতম দেব বলেন স্বাস্থ্য দপ্তর এবং দার্জিলিং জলপাইগুড়ি জেলা শাসকের সঙ্গে সমস্ত রকমের জরুরী বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। তাদের এসওপি গাইডলাইন মেনে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে শিলিগুড়ি পুরো নিগম। তিনি জানান সমস্ত হাসপাতালে সাধ্যমত পরিকাঠামো বৃদ্ধি সক্রিয় চেষ্টা চলছে। অভিভাবকদের শিশুদের বাড়ির ভেতরে রাখা, মাস্কের ব্যবহার ও হালকা খাবারের মধ্যে দিয়ে সচেতন ডায়েট মানার নির্দেশ দিচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।

Post a Comment