ধান্যকুড়িয়ার সাহু-দেব বাড়ির পুজোতে সিংহর মুখ থেকে শাড়ির আঁচলের অংশ বের হয়ে থাকে কেন?
দি নিউজ লায়নঃ দুর্গা ঠাকুরের 'শতরূপা' নামের মতোই, সারা বাংলা জুড়ে তাঁকে কেন্দ্র করে শত শত সংস্কার আজও জীবিত। বহু রাজবাড়ি, জমিদার বাড়িতে আজও তিনি নানা রূপে, নানা রীতিতে পূজিত হন। প্রতিটা রূপের পিছনেই লুকিয়ে রয়েছে কোনও না কোনও গল্প! সেইসব গল্প অনেকে বিশ্বাস করেন, অনেক করেন না! এইরকমই হল
কলকাতার সুভাষ গ্রামের দুর্গার একদিক কালো আর একদিক সোনালি। ওদের ধারণা, কালী আর দুর্গা এক হয়ে গিয়েছেন। মূর্তির কালো দিকটায় হাজার চেষ্টা করেও সোনালি রং করা যায়নি।
উত্তর ২৪ পরগনার ধান্যকুড়িয়ার সাহু-দেব বাড়ির দুর্গাপুজো। সাহুরা জমিদার ছিলেন। ওঁদের বাড়ির পুজোতে সিংহর মুখ থেকে একটা ছোট্ট শাড়ির আঁচলের অংশ বের হয়ে থাকে। কেন? পরিবারের লোকরা বলেন, বহু বছর আগে এই বাড়ির এক বউ এলোচুলে সন্ধের সময় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন।
তারপর থেকে বউটিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরের দিন দেখা যায়, বউটির শাড়ির আঁচলের কিছুটা অংশ সিংহর মুখ থেকে বেরিয়ে আছে। সবাই তখন মনে করেন, সিংহটিই বউটিকে গ্রাস করেছে। আজও এই পুজোতে বাড়ির বউরা নির্দিষ্ট একটি সময়ে নির্দিষ্ট একটি পোশাকে দলবেঁধে সেজে মন্দিরের ভিতরে ঘোরা- ফেরা করেন।

Post a Comment