ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না, ফের আদালতের দ্বারস্থ বহিষ্কৃত ছাত্র সোমনাথ - The News Lion

ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না, ফের আদালতের দ্বারস্থ বহিষ্কৃত ছাত্র সোমনাথ

 


দি নিউজ লায়নঃ  পড়ুয়ার অবিলম্বে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠন পাঠনের বন্দোবস্ত করে দিতে হবে- এমনই রায় দেন হাইকোর্টের বিচারপতি। নির্দেশ আসার পরে ছ'দিন পেরিয়ে গেলেও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বহিষ্কৃত তিন পড়ুয়াকে  উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী পঠন পাঠনের অনুমতি দেননি বলে অভিযোগ। অথচ আন্দোলনরত ছাত্র ছাত্রীদের হাইকোর্ট যে শর্ত দিয়েছিল পড়ুয়ারা সেই শর্ত মেনে আন্দোলনে ইতি টেনেছে। বাধ্য হয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন  বহিষ্কৃত পড়ুয়া সোমনাথ সৌ।তিনি বলেন, "আমরা আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি এবং আমাদের যা করণীয় আমরা করেছি। 


কিন্তু আমাদের ক্লাসে ফেরানোর ব্যাপারে আদালতের যা নির্দেশ ছিল তা পালন করেননি বিশ্বভারতী  কর্তৃপক্ষ। আদালতের নির্দেশকে কৌশলে অবমাননা করছে কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় প্রধানকে চিঠি করেই দায় সেরেছে। তাই ফের আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছি। আদালত অবমাননার পিটিশন দাখিল করেছি।’’ গত বুধবার কলকাতা উচ্চ আদালতের বিচারক বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার পড়ুয়াদের অবস্থান নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের করা মামলার শুনানীতে বহিষ্কৃত পড়ুয়াদের অবিলম্বে পরেরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই ক্লাসে ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্দেশ পেয়েই ক্লাসে ফিরতে চেয়ে কর্তৃপক্ষকে ইমেল করেছিলেন বহিষ্কৃত তিন পড়ুয়া সোমনাথ সৌ, ফাল্গুনী পান ও রূপা চক্রবর্তীরা। গত শুক্রবার গভীর রাতে পড়ুয়াদের ক্লাসে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় প্রধানদের চিঠি দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর। 


ব্যস, করণীয় বলতে এটুকুই। এরপর আর কোনও পদক্ষেপ চোখে পড়ে নি কর্তৃপক্ষের তরফে। মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত পড়ুয়াদের ক্লাসে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কোনও লিঙ্ক পান নি পড়ুয়ারা। এর মাঝেই অর্থনীতি ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্র সোমনাথ সৌ ফের ইমেল করে দুটি দাবি করেছেন বিভাগীয় প্রধানের কাছে - বহিষ্কারের কারনে পরীক্ষা দিতে না পারাকে ‘বিশেষ ঘটনা’ হিসাবে দেখে আগামী সাতদিনের মধ্যে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ব্যবস্থা করে দশদিনের ফল প্রকাশ করা হোক এবং বহিষ্কারের জন্য স্নাতকোত্তরে ভর্তি আবেদন করা যায় নি। তাই পরীক্ষা নেওয়ার সাথে সাথে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে তাকে স্নাতকোত্তরে ভর্তির ব্যবস্থা করা হোক। স্বাভাবিকভাবেই এই ইমেলেরও কোনও উত্তর পান নি সোমনাথ সৌ।


অন্যদিকে কর্তৃপক্ষের এমন গড়িমসিকে আদালত অবমাননার শামিল হিসাবে দেখছেন বহিষ্কৃত পড়ুয়া ও আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার কলকাতা উচ্চ আদালতে তিন পড়ুয়ার হয়ে সোমনাথ সৌ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দাখিল করেছেন আদালত অবমাননার পিটিশন। সোমনাথ সৌ’র আইনজীবি শামিম আহমেদ জানিয়েছেন, "আদালত অবমাননার পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার ফের মামলার শুনানী আছে। বিচারপতির সামনে এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হবে জোরালো ভাবেই।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.