তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে
দি নিউজ লায়নঃ কংগ্রেস এবং ভাজপার চক্রান্তে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত অনাস্থা আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল । আর সেই অনাস্থার জন্য উচ্চ আদালতে দাবি জানিয়েছিল কংগ্রেসের নির্বাচিত এক পঞ্চায়েত সদস্য । কিন্তু তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত বহাল থাকবে এবং বিরোধীদের সেই অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে মহামান্য আদালত । ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচকের জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসনে জয় লাভ করে জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে তৃণমূল ।
এরপর থেকে তৃণমূলের পঞ্চায়েত বোর্ডকে ভাঙ্গার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালানো শুরু করে স্থানীয় কংগ্রেস এবং বিজেপি নেতৃত্ব বলে অভিযোগ। বিভিন্ন রকম রাজনৈতিক পরিকল্পনা করেও তৃণমূল বোর্ডকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে নি বিরোধীরা বলে অভিযোগ। তারপরে চলতি মাসে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেস দলের এক পঞ্চায়েত সদস্য। কিন্তু বিরোধী দলের সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে মহামান্য উচ্চ আদালত। যে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার দাবি করা হয়েছিল।
তা খারিজ করে দিয়েছে আদালত, এমনটাই জানিয়েছেন জালালপুর গ্রাম তৃণমূল দলের প্রধান জুলফিকার আলী। স্থানীয় পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ২৩। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৪ টি আসন দখল করে তৃণমূল , ৭ টি আসন পাই কংগ্রেস । একটি বিজেপি এবং একটি নির্দলের দখলে রয়েছে। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন তৃণমূলের জুলফিকার আলী। প্রথম তিন বছর পঞ্চায়েতের তরফে একাধিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয় I কিন্তু ২০২১ সালের মে মাসের পর অনাস্থার জটিলতায় উন্নয়ন মুলক কাজে বাধা সৃষ্টি করে বিরোধীরা বলে অভিযোগ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিরোধী দল কংগ্রেস এবং বিজেপির রাজনৈতিক কৌশলে অনাস্থা আনার কারণে এলাকায় উন্নয়ন আটকে গিয়েছে। যদিও তার আগে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ভালোই কাজ করছিল। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক রহিম বক্সী জানিয়েছেন, জালাল পুর গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে রয়েছে । বিরোধীদের চক্রান্ত কোনভাবেই ঢোপে টিকে নি। এলাকার উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।

Post a Comment