সাবধান সঙ্কেত শিলিগুড়ি লাইফলাইন মহানন্দার ওপর - The News Lion

সাবধান সঙ্কেত শিলিগুড়ি লাইফলাইন মহানন্দার ওপর

 


দি নিউজ লায়নঃ  সাবধান সঙ্কেত শিলিগুড়ি লাইফলাইন মহানন্দার ওপর। টানা বৃষ্টিতে  বৃহস্পতিবার সকালে বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছলো জলস্তর। প্রশাসনের তরফে সতর্ক করা হচ্ছে ঝুঁপড়ি এলাকার  লমানুষদের। যদিও বিকেলে নাগাদ জলস্তর নামতে লাগে। সেচ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে শিলিগুড়ি শহরের মহানন্দ জলস্তরকে রেকর্ড হিসেবে ধরা হয়। মূলত মহানন্দর বিপদসীমা বা ডেঞ্জার লেভেল হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে ১১৫.৯৭৫মিটার। সেচদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের তরফে জানা  গিয়েছে এদিন সকাল ছয়টার রেকর্ড অনুযায়ী মহানন্দার জলস্তর ছিল ১১৫.৫০০মিটার। যা বিপদসীমার প্রায় ছুঁই ছুঁই।


 বিপদসীমা থেকে এদিন মহানন্দার জলস্তরের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪৭৫মিটারের। যা উদ্বেগজনক। তবে বিকেল নাগাদ কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে কন্ট্রোল রুমের তরফে। সেচ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে মহানন্দার বহমানতা একটু ভিন্ন প্রকৃতির। উত্তরের নদী গুলির প্রকৃতিগত বিশেষ বৈশিষ্ট্য এর কারনে জল বেশিক্ষন দাঁড়িয়ে থাকে না। বিকেল নাগাদ মহানন্দার জলস্তর অনেকটাই নেমে এসেছে। সেচ দপ্তরের কন্ট্রোল রুমের তরফে জানা গিয়েছে বিকেল চারটার রেকর্ড অনুযায়ী মহানন্দার জলস্তর ১১৪.৫০০মিটার পরিমাপ করা হয়েছে। মূলত  বিপদসীমার থেকে প্রায় অনেকটাই নীচে নেমে গিয়েছে জলস্থর। মহানন্দার জল সরে গিয়ে জলপাইগুড়ি, মালদার এই সমস্ত জেলার দিকে বয়ে গিয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার দিবে বৃষ্টির বেগ কিছুটা কম হলেও সন্ধ্যার পর থেকেই মাঝারি বৃষ্টিতে ভেজে শহর। রাতভর বৃষ্টি হলে ফের জলস্তর বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে প্রশাসন। 


সেক্ষেত্রে সেচ দপ্তরের কট্রোল রুমের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে মহকুমা প্রশাসক দপ্তর, শিলিগুড়ি পুরনিগমের কট্রোল রুম সংযুক্ত রয়েছে কর্মীরা। শিলিগুড়ি পুর-কমিশনার সোনাম ওয়াংদি ভূটিয়া জানান রাতভর কর্মীরা সচেতন রয়েছে। নদীর জল বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই হলেই সঙ্গে সঙ্গে মহকুমা শাসকের দপ্তর ও পুর দপ্তর থেকে নদীর পার্শ্ববর্তী ঝুপড়ি ও বস্তি এলাকার মানুষদের মাইকিং করে সতর্ক করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি পুরনিগমের বোরো ভিত্তিক বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। পরিস্থিতি সেরকম হলে জলস্তর বিপদসীমার কাছাকাছি পৌছুতে এলাকার মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদে ত্রাণশিবিরে নিয়ে আসা হবে। তিনি বলেন তবে যদিও সেচ দপ্তরে তরফের এদিন ড্রপ গেট খুলে দেওয়া হয়। যাতে জলস্থল কিছুটা নেমে গিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.