বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে বে আইনিভাবে গাছ কাটার অভিযোগ - The News Lion

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে বে আইনিভাবে গাছ কাটার অভিযোগ

 


দি নিউজ লায়নঃ  আলিপুরদুয়ারের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে বে আইনিভাবে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এমনি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনাঞ্চলে আন্ডার গ্রাউন্ড হাতে তৈরি স মিল রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই দুই বনাঞ্চলে গাছ কাটার ঘটনার তদন্ত করতে রাজ্য থেকে ৫ সদস্যের রাজ্য স্তরের আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে পৌছেছেন। তারা বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে তদন্ত করে দেখছেন। জানা গিয়েছে আলিপুরদুয়ারের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের প্রাক্তন বন কর্মী নব্যেন্দু করের অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্যের বন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রীয় মল্লিক এক ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। 


নব্যেন্দু বাবু বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বেশ কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়েছেন। তাদের বদলির দাবি করেছেন নব্যেন্দু বাবু। নব্যেন্দু কর বলেন, " শেষ হয়ে যাচ্ছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনাঞ্চল। গাছ কেটে জঙ্গল পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে। আমরা এই এলাকায় থাকব। গাছ মানুষের বাচার জন্য কতটা প্রয়োজন তা এবারের করোনা মহামারি আমাদের বলে দিয়েছে। তাই আমি এভাবে জঙ্গল নিধনের বিরুদ্ধে মন্ত্রীকে অভিযোগ জানিয়েছি। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনাঞ্চল ধ্বংস রুখতেই হবে। তদন্ত শুরু হয়েছে। সব প্রকাশ পাবে বলে আশা করছি।" জানা গিয়েছে ৫ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের বন দফতরের আধিকারিকরা বনাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়াচ্ছেন।


 এর পর এই দলটি জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে তদন্তে যেতে পারেন। অথবা রাজ্যের নির্দেশে অন্য দলও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে তদন্তে আসতে পারেন। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা বুদ্ধরাজ সেওয়া বলেন, " অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ প্রথমে আমি খতিয়ে দেখি। অভিযোগ সত্য নয়। রাজ্য স্তরের আধিকারিকরা সমস্ত বিষয়টি ভেরিফিকেশন করছেন। আমি এর বেশি কিছু বলতে পারব না।" জানা গিয়েছে বিভিন্ন এলাকায় গাছ কাটার ছবি সহ মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন নব্যেন্দু কর। রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রীয় মল্লিক বলেন, " জঙ্গলে গাছ কাটা কোন ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্য স্তরের আধিকারিকদের দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জঙ্গলের ভেতর আন্ডার গ্রাউন্ড স'মিলের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর ব্যাবস্থা গ্রহন করব।


"উল্লেখ্য  ১৯৮২ সালে আলিপুরদুয়ার জেলার  বক্সার জঙ্গল বক্সা টাইগার রিজার্ভ হিসাবে স্বীকৃতি পায়। মোট ৭৬০ বর্গকিমি এলাকা জুড়ে বক্সা টাইগার রিজার্ভের ৪০০ বর্গকিমি এলাকা সংরক্ষিত জঙ্গল। বাকিটা বাফার এলাকা। শেষ ২০ বছরে এই জঙ্গলে সরাসরি বাঘেদের তেমন কোন অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায় নি। সেই কারনে বাইরে থেকে বাঘ এনে এই বনাঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া গৌরব ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য বনদফতর।  এই বনাঞ্চলে গাছ কাটার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.