তৃতীয় ঢেউয়ের যেকোনো অবস্থার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তৈরি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর
দি নিউজ লায়নঃ তৃতীয় ঢেউয়ের যেকোনো অবস্থার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তৈরি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আশঙ্কা অনুযায়ী প্রতি জেলায় শিশুদের জন্য এসএনসিইউ, পিকু, নিকু, পেডিয়াট্রিক শয্যা পর্যাপ্ত পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। একইসঙ্গে জেলায় জেলায় শহরের বাজারে মাস্ক নিয়ে কড়া নজরদারি নির্দেশ দিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এবার থেকে শিলিগুড়ি শহরের জমায়েত পূর্ন বাজারগুলিতে মাস্কের ব্যবহার নিয়ে কড়া নজরদারি চালাবে এসজেডিয়ে। শনিবার শিলিগুড়িতে এসজেডিয়ে দপ্তর থেকেই টিকাকরনের ক্ষেত্রে শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন দপ্তরকেও এগিয়ে আসার নির্দেশ দেন তিনি। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন দার্জিলিং জেলা পর্যটন এলাকা। প্রচুর মানুষ বাইরে থেকে আসেন প্রতিদিন। তার বক্তব্য সংক্রমন কিছুটা কমতেই মাস্কের ব্যবহার শিথিল করা হচ্ছে।
বাজার গুলিতে প্রচুর মানুষের আনাগোনা। সেক্ষেত্রে বাজার এলাকাগুলিতে এসজেডিয়ের তরফেও মাস্কের ব্যবহার নিয়ে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন তিনি। এদিকে
তৃতীয় ঢেউয়ের আগেই শহর ও গ্রামীণ এলাকায় ব্যাপক ভাবে টিকাকরনের ওপর নজর দিচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। এদিন প্রতিমন্ত্রী বলেন বয়স্ক ও শারীরিক ভাবে অক্ষম মানুষের দুয়ারে মোবাইল ভ্যানে কোভিড টিকা পৌঁছতে হবে। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি শহর ও শিলিগুড়ি মহকুমার গ্রামীন এলাকাগুলিতে মোবাইল ভ্যান নিয়ে মেডিকেল টিম পাঠিয়ে টিকাকরন করতে হবে।
পুরনিগম এবং জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের পাশাপাশি এদিন এসজেডিয়েকেও মেডিকেল টিম ও মোবাইল ভ্যান নিয়ে দুয়ারে টিকাকরন কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অন্যদিকে টিকাকরনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সরকারের ভূমিকায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এদিন ফের একবার বলেন দেশের সরকার টিকা সরবরাহ করছে না। পাচ্ছি না আমরা টিকা। রাজ্যে ১৪কোটি টিকার চাহিদা রয়েছে অথচ সেখানে মাত্র ৪কোটি টিকা দিয়েছে। তবে রাজ্য জুড়ে সেই স্বল্প সংখ্যক টিকা জেলায় জেলায় সমন্বয় রেখে বন্টন করা হচ্ছে। অন্যদিকে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন রাজ্য প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি জানান বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা অনুযায়ী রাজ্যের প্রত্যেক জেলায় জেলায় শিশুদের জন্য এসএনসিইউ, পিকু, নিকু, পেডিয়াট্রিক শয্যা পর্যাপ্ত পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। জেলায় জেলায় পরিকাঠামো তৈরি রাখা রয়েছে।

Post a Comment