কোরনার জেরে কেউ বেছে নিচ্ছে শিশু শ্রম তো আবার কেউ ভিক্ষাবৃত্তি - The News Lion

কোরনার জেরে কেউ বেছে নিচ্ছে শিশু শ্রম তো আবার কেউ ভিক্ষাবৃত্তি

 


দি নিউজ লায়ন;  কোরনা আবহের জেড়ে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুরা যেমন শিক্ষার জগৎ থেকে দূরে সড়ে যাচ্ছে তেমনি তারা মানষিক ও  শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কেউ বেছে নিচ্ছে শিশু শ্রম তো আবার কেউ ভিক্ষাবৃত্তি। এই ঘটনা বোলপুরে। এখন অবস্হাপন্ন বিত্তবান পরিবারের শিশুরা বাবা মা দাদুর কাছে পড়াশুনো করলেও বদ্ধ পরিবেশে তাও আর তাদের ভালো লাগছে না। অনলাইন মাধ্যমে পড়াশুনোর কথা বললেও, অনেকে যেমন এ্যন্ড্রোয়েট ফোন, ইন্টারনেট বিষয়ে সড়গড় নয় তেমনি আবার যারা এ্যন্ড্রোয়েট মোবাইল সেট নিয়ে অনলাইনে ক্লাস করবে পড়াশুনো করবে বলে হাতে ফোন পাচ্ছে তারা তাদের মানষিক চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন রকম গেম খেলতে অভ্যস্ত হয় পড়ছে। সেই ফোনেই বাবা মায়ের ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে ভালোর সঙ্গে মন্দ জিনিসও দেখছে। যা আরো নানা বিপদ ডেকে আনার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফিজিক্যাল আর ভার্চুয়াল এর মধ্যে ফারাক অনেকটাই। কোরনা আবহের ভয়ে বছরের পর বছর স্কুল বন্ধ রাখার ফলে শিশুর আগামী ভবিষ্যত এক অনিশ্চিত জায়গায় পৌছাচ্ছে।


 ১২ জুন বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবসের দিন, জেলা আইনী পরিষেবা কতৃপক্ষ ও চাইল্ড লাইন  ( বীরভূম )  যৌথ ভাবে এই শিশু শ্রমিকদের সচেতন করার জন্য বিভিন্ন দোকান, মোটর বাইক গ্যারেজে যখন অভিযান চলে  তখন দেখা যায় বেশ কিছু শিশু শ্রমিককে। যারা কেউ ক্লাস সিক্স, আবার কেউ ক্লাস টেন এ পড়ে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ ও পরিবারের আর্থিক অনটন থাকায় তারা গ্যারেজ সহ একাধিক জায়গায় কাজ করছে। নিয়োগকর্তা দোকান মালিক সাফাই দিচ্ছেন, কাজ করছে বলেও ভালো আছে, ওরা সবসময় মোবাইল নিয়েই পড়ে থাকে। 


আবার রাস্তার ধারে হাতে থলি নিয়ে দেখা গেলো ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদেরও। যাদের বাবা মা হাতে থলি ধরিয়ে দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করার জন্য রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে। যা আরো ভয়ানক। এখানে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে শিশুদের ভবিষ্যত কোন পথে যাচ্ছে। এক স্কুল শিক্ষক আবার বলছিলেন, দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার ফলে তাদের স্কুলও  রাতের অন্ধকারে সমাজবিরোধীদের দখলে চলে গেছে। আপাত নিরীহ শান্তিপ্রিয় শিক্ষকরাও এবিষয়ে কিছু করতেও পারছেন না। শিশুরা যেমন ক্ষতির মুখে পড়ছেন তেমনি শিক্ষাকেন্দ্র গুলির সামাজিক অবস্হানও বদলে যাচ্ছে। এমন সময় আমাদের দরকার, প্রতিদিন সব ক্লাসের ছাত্র- ছাত্রীদের না নিয়েও রোটেশন অনুযায়ী ভাগ করে ক্লাস চালু করে শিশু কিশোর মনের বিকাশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.