আলিপুরদুয়ারে তাসের ঘরের মতো বিজেপিতে ভাঙ্গন অব্যাহত
দি নিউজ লায়ন; বিজেপি র জেলা সভাপতি সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে ।তারপর থেকে আলিপুরদুয়ার জেলায় তাসের ঘরের মতো বিজেপিতে ভাঙ্গন অব্যাহত ।এবার জেলার উত্তরপূর্ব প্রান্তে এক্কেবারে আসাম ও ভুটান সীমান্ত লাগোয়া কুমারগ্রাম ব্লকের কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে বড়সড় ধ্বস নামলো বিজেপিতে।তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী,সদ্য তৃণমূলে আসা প্রাক্তন বিজেপি নেতা গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা, তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর প্রকাশচিক বরাইক,ব্লক সভাপতি ধীরেশ্চন্দ্র রায় ও সৌমেন সরকারের উপস্থিতিতে দুশো জনের বেশি বিজেপির বুথ স্তরের নেতা কর্মী এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি বিজেপি ছেরে তৃণমূলে এসেছেন কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের আর এক সদস্য।
এসেছেন কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্য।এছাড়াও ২০০ জনের মধ্যে রয়েছেন একাধিক বুথ সভাপতি। বুথের সক্রিয় কর্মী।গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২১ টি বুথ থেকেই এদিন যোগদান করেছেন কর্মীরা।উল্লেখ্য, কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাটি বলে পরিচিত। গ্রাম পঞ্চায়েত এখনো বিজেপিরই দখলে।তবে গত ৫ বছরে এদিনের মত ভাঙ্গন দেখা যায়নি।তৃণমূল নেতাদের একাংশ সাফ জানিয়েছেন কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে নাটক করছেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বারলা। তা আজকে আর একবার প্রমানিত হল।
গ্রাম পঞ্চায়েতের বাকি সদস্যদের তৃণমূলে যোগদান শুধু সময়ের অপেক্ষা।জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী বলেন, মানুষ বিজেপির পাশে নেই, তা আর একবার প্রমানিত হল আজ।গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন,এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে মানুষ আমাদের পাশে আসছেন। আসবেন আরো অনেকেই।জেলা কোয়ার্ডীনেটর প্রকাশচিক বরাইক বলেন,কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে আর কিছুটা শক্তিশালী হলাম আমরা।আপাতত আমাদের সদস্য ৫ জন।
তবে আর অনেক পঞ্চায়েত সদস্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। যদি তারা উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের পাসে আসেন তাদের অবশ্যই স্বাগত জানাবো। ব্লক সভাপতি ধীরেশ চন্দ্র রায় বলেন,ন্যুনতম চাপ সৃষ্টি বা ভয় দেখানোর কাজ আমরা করিনি।সবাই স্বেচ্ছায় আমাদের পাশে আসছেন।মানুষ অনেক সচেতন। এটা সকলেই জানে জোর করে কাউকে কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য করে রাখা যায়না।জানা গেছে, জেলার ১৮০০ বুথেই নিচুতলার বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের নিজেদের কাছে টানতে খুব শিগগিরই পদক্ষেপ শুরু করবে তৃণমূল।

Post a Comment