রাস্তায় বেসরকারি, মিনি বাসের সংখ্যা কম হওয়ায় ভীড় সরকারি বাস এবং ফেরি সার্ভিসে
দি নিউজ লায়ন; বৃহস্পতিবার শহরের রাস্তায় বেসরকারি বাস, মিনি বাসের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। হাওড়া স্টেশনে এফিন সরকারি বাসে ভীড়ের ছবি লক্ষ্য করা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গেই গণপরিবহণেও ছাড় মিলেছে। কিন্তু এরপরেও বেসরকারি বাস, মিনিবাস রাস্তায় সেভাবে নামেনি বললেই চলে।জ্বালানির টানা দাম বৃদ্ধির জেরে সমস্যাকেই এরজন্য দায়ী করেছেন বেসরকারি বাস, মিনিবাসের মালিকরা। ফলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জেরে লকডাউন শিথিল হলেও আজ সেই সংখ্যায় বাস রাস্তায় নামতে দেখা যায়নি। ফলে কাজে বের হওয়া মানুষদের এদিন বাস পেতে নাজেহাল হতে হয়। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে সরকারি বাস চালানোর কথা বলা হলেও, বেসরকারি বাস, মিনি বাস পথে কম নামায় এদিন সরকারি বাসগুলোতেই যথেষ্ট ভীড় লক্ষ্য করা যায়। প্রচুর যাত্রী এদিন ফেরি পারাপার করেই অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এদিন বালির ৫৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ডে বেসরকারি বাস পরিষেবা একেবারেই বন্ধ ছিল। অফিস যাত্রীরা বাস ধরতে এসে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হন। টোটো এবং অটো হাওড়া যাবার জন্য এদিন বেশি ভাড়া দাবি করে এমন অভিযোগও তুলেছেন নিত্যযাত্রীরা। বাসযাত্রী মৈনাক দাস জানিয়েছেন চাঁদনিচক যাব।অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আছি। বাস পাচ্ছিনা। কিসে করে যাব জানিনা। খবর দেখে বেরিয়েছি। এখন দেখছি উল্টোটা হচ্ছে। আসছি কোন্নগর থেকে। অন্যান্য গাড়িতে ৫০-৬০ টাকা করে চাইছে। হাওড়া পৌঁছে দিচ্ছে তারা। বাস বাড়ানো উচিত। বেসরকারি পরিবহন যত কম হবে ভিড় তত বেশি বাড়বে। এতে করোনা বৃদ্ধি পাবে, আরও বেশি হবে। সেই জন্য গাড়ি বন্ধের বিরুদ্ধে আমি।
সমীর নামে অপর এক যাত্রী জানান প্রায় একঘণ্টা বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু বাস চলছে না। হাওড়া যাব। বালিতে প্রাইভেট বাস চলছে না। এখানে টোটোতে ৫০-৬০ টাকা যে যা পারছে চাইছে। যা আয় হয় সবই যদি যাতায়াতে খরচ হয়ে যায় তাহলে বেরিয়ে কি করব ?

Post a Comment