ডাল নিয়ে কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বাড়বে কালো বাজারি - The News Lion

ডাল নিয়ে কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বাড়বে কালো বাজারি

 


দি নিউজ লায়ন;   ডাল নিয়ে কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বাড়বে কালো বাজারি। এ রাজ্যের ডালের আবাদ নেই তাই পেটে মারতে এই নিয়ম। কেন্দ্রের কালো আইন যাতে এরাজ্যে কোনোভাবেই লাগু না করা হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সে বিষয়ে আবেদন জানাবেন শিলিগুড়ি পাইকারি ব্যবসায়ীরা।  এ রাজ্যের মাটি ডাল শস্য আবাদের উপযোগী নয়। তাই ডাল জন্য বাইরের রাজ্যের ওপরই ভরসা করতে হয়। অন্যদিকে  ডালের চাহিদা ব্যাপক থাকায় কেন্দ্রে নির্দেশে গোডাউনে ডাল মজুত রাখার উর্ধসীমা নির্ধারিত হওয়ায় বিপাকে পড়তে হবে আম জনতাকে বলেই দাবি করছে শিলিগুড়ি মার্চেন্ট এসোসিয়েশন।


শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে বর্ষার মরশুমে চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য মজুদ রাখার কথা বলা হয় রাজ্যের তরফে। যাতে বর্ষার জেরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে খাদ্য সঙ্কটের সম্মুখীন না হতে হয়। আর এতেই  কেন্দ্রের নির্দেশিকার জেরে বিপাকে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। শিলিগুড়ি মার্চেন্ট এসোসিয়েশন এর ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন কেন্দ্রের এই নির্দেশিকায় বড় বড় মলগুলোকে ছুট দেওয়া হয়েছে।  বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই কালো আইন। তারা জানায় ডালের চাহিদা প্রচুর। শিলিগুড়িতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ডাল ব্যবসায়ীদের সংখ্যার তুলনায় অনেক কম পাইকারি বিক্রেতার সংখ্যা। হাতেগোনা পাইকারি ব্যবসায়ীরা শহরের সমস্ত বিক্রেতাদের পর্যাপ্ত ডাল সরবরাহ করতে পারবে না। কারন প্রতি সপ্তাহে পাইকারি ব্যবসায়ীরা ৩৫টন করে দুই তিন গাড়ি মাল আমদানি করে।পাশাপাশি এক একপ্রকার ডালের প্রচুর রকমফের রয়েছে।  



সেক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি হলে বেশি অর্থ দিয়ে সামগ্রী আনয়ন করতে হবে। এতে স্বাভাবিক ভাবেই মূল্য বৃদ্ধি পাবে। শিলিগুড়িতে ডালের সঙ্কট তৈরি হবে খোলা বাজারে মর্জিমাফিক চড়া দামে ডাল বিক্রি হবে। একইসঙ্গে ২০০টন ডালের বেশী মজুদ করা যাবে না কেন্দ্রের এই ফরমানের জেরে উৎসবের সময়তে ও বিশেষ করে বর্ষার সময়  গাড়ি পৌঁছতে দেরি হয় একইসঙ্গে করোনা পরিস্থিতিতে ফের লকডাউন বা বিধিনিষেধাজ্ঞা জারি হলে সঙ্কটে মুখোমুখি হতে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষদের। তারা জানান আমাদের আবেদন কেন্দ্রের কৃষক, ব্যবসায়ি ও সাধারণ মানুষের পেটে মারার বিজেপি সরকারের এই ফরমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিবেচনা করে  রাজ্যে তা বাতিল করুক।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.