দলে না নেওয়ায় শেষমেশ দেড় মাসের হরিণ শাবকের ঠাই হলো পুরুলিয়া সুরুলিয়া মিনি জুতে - The News Lion

দলে না নেওয়ায় শেষমেশ দেড় মাসের হরিণ শাবকের ঠাই হলো পুরুলিয়া সুরুলিয়া মিনি জুতে

 


দি নিউজ লায়ন;  বার বার ফেরানোর চেষ্টা করা হলে শাবককে দলে ফিরিয়ে নেয়নি হরিণের দল। তাই দেড় মাসের শাবকের ঠাই হলো পুরুলিয়া সুরুলিয়া মিনি জুতে। সেখানেই হরিণ শাবক যত্ন করে বড় করছেন জুয়ের দায়িত্বে থাকা বনকর্মীরা। গত এক মাস আগে কংসাবতী দক্ষিন বনবিভাগের পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের যমুনা বনাঞ্চলেরকাছে একটি হরিন শাবকে দেখতে পান পাহাড়পুর গ্রামের যৌথবন পরিচালন কমিটির সদস্য বিশ্বজিৎ সোরেন ও সুশান্ত সোরেন। 


সেখানে দেখতে পেয়ে তাড়াতাড়ি কুইলাপাল বনদফতরের অফিসে পৌছে দেয় শাবকটিকে। তাদের অনুমান লোকালয়ে খাবারের সন্ধানে এসে কুকুরের তাড়ায় হয়তো শাবকটিকে ফেলে পালিয়েছে মা হরিনটি। মোটর বাইকে করে শাবকটিকে পৌছে দেন তারা। বনদপ্তরের কর্মীরা জানিয়েছেন, ওই দিন সন্ধ্যায় ওই এলাকায় মা হরিনের কান্নার আওয়াজ শুনতে পায় গ্রামবাসীরা। পরে সেখানে হরিন শাবকটিকে বার ছাড়া হলেও শাবক হরিনটিকে দলে ফিরিয়ে নেয়নি হরিনের দলটি।


 বনদপ্তরের কর্মীরা জানিয়েছেন, চার থেকে পাচ দিন বেশ কয়েক ঘন্টা হরিণ শাবটিকে দলে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু শাবকটি দলের কাছাকাছি যেতেই জঙ্গলের গভীরে চলে যায়। ফলে ফিরিয়ে বনদফতরের অফিসেই নিয়ে আসা হয় শাবকটিকে।অবশেষে প্রায় ২১ দিন চেষ্টার পর বার্থ হয়ে সুরুলিয়া মিনি চিড়িয়াখানা তে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই শাবকটিকে। 


এখন সেখানেই বেড়ে উঠছে হরিন শাবকটি। গত ২০১৯ সালের ১০ মার্চ এই চিড়িয়াখানা থেকে বান্দোয়ান এর নতুনডির জঙ্গলে দুটি শাবক, তেরো টি মাদি ও পনেরো টি পুরুষ মিলিয়ে মোট ৩০ টি চিতল হরিণকে ছাড়া হয়েছিল। কুকুরের হামলায় বেশ কয়েকটি হরিণের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তবে এখন সেই হরিনের সংখ্যা এখন অনেকটাই বেড়েছে বলে মনে করছেন বনদফতরের কর্মীরা। মাঝে মাঝে শাবক সহ হরিনের দল দেখতে পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন বনদপ্তরের কর্মীরা।  

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.