প্রবল বর্ষণে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন
দি নিউজ লায়ন; গত দুদিন ধরে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। বৃষ্টির জেরে ধস নেমেছে দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়্গপুর শাখায় । বৃহস্পতিবার সকালে গোকুলপুরের কাছে খড়্গপুর থেকে হাওড়া যাওয়ার আপ লাইনে ধস নামে। অনেক বিদ্যুৎ খুঁটি উপড়ে পড়ে। ওই লাইনে সমস্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই লাইনে বেশিরভাগ মালগাড়ি চলে। খড়্গপুর স্টেশনে এক হাঁটু জল জমে থাকায় দূরপাল্লার অনেক ট্রেনকে হিজলি স্টেশন হয়ে যেতে হয়।
মেদিনীপুর শহরের ধর্মা , বিবেকানন্দ নগর , পালবাড়ি , সূর্যনগর , নেতাজীনগর , দ্বারিবাঁধ এবং খড়্গপুরের গোপালী , মীরপুর , ট্যাংরা ,
মালঞ্চ , গোলবাজার , ঝাপেটাপুর , ঝোলি এলাকা জলমগ্ন অবস্থায় রয়েছে।
সবং এর মোহাড় , বিষ্ণুপুর , চাউলকুড়ি, নওগাঁ , দশগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নওগাঁ গ্রাম পঞ্চায়েত এলকায় ভুয়া সেতুর কাছে পিচ রাস্তায় ৪০ ফুট লম্বা ধস নেমেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জলমগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন বিডিও তুহিনশুভ্র মহান্তি ও কর্মাধক্ষ্য আবু কালাম বক্স । ফোন করে সবং এর বন্যা পরিস্থিতির খোঁজ খবর নেন রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভূইঁয়া। প্রাক্তন বিধায়ক গিতারানী ভূইঁয়া ও জেলা পরিষদ সদস্য বিকাশ ভূঁইয়াকে দুর্গত মানুষের পাশে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রবল বৃষ্টির ফলে শালবনি ব্লকের গড় মাল সহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।গড়মাল এর সাথে মেদিনীপুর শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।মেদিনীপুর এর সাথে কেশপুর এর যোগাযোগ সম্পুর্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।কেশপুরের বিস্তীর্ন গ্রাম জলের তলায়।শিলাবতী নদীর জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে।যার ফলে গড়বেতা,চন্দ্রকোনা ও ঘাটাল এর বিস্তীর্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।এক টানা বৃষ্টির ফলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে বৃষ্টির মধ্যেই অনেকে মাছ ধরতে নেমে পড়েন। খয়েরুল্লা চক এলকায় ১০ কেজি ওজনের মাগুর মাছ ধরা পড়ে।

Post a Comment