লকডাউনে বিপাকে টোটো চালকরা - The News Lion

লকডাউনে বিপাকে টোটো চালকরা

 


দি নিউজ লায়ন;  লকডাউনে পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক না আসায় বিপাকে টোটো চালকরা। ব্যাংকের ঋণ নিয়ে টোটো কিনে ছিল, সেই ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় আরো বিপক্ষে গোটা পরিবার। কিভাবে ঋণ শোধ করবে, আর কি করে সন্তানদের মুখে অন্ন তুলে দেবে? সব মিলিয়ে ঘোর সংকটে টোটো পরিবার। পাশে পাইনি প্রশাসনের কর্তাদের।বসিরহাট মহাকুমার টাকি ষ্টেশনের টোটো রিক্সা ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক টোটো চালক রয়েছে। লকডাউন এর জেরে একদিকে ট্রেন বন্ধ অন্যদিকে পর্যটকরা আসছে না। গভীর সংকটে টোটো চালকরা। 


তাদের জীবন-জীবিকা বন্ধ হয়ে গেছে সেই সঙ্গে টোটো চালক পরিবারের  অন্যান্য সদস্যরা আজ রোটি কাপড়া মকান নিয়ে গভীর সংকটে। এই লকডাউন যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে তারপর ট্রেন বন্ধ পর্যটক ও যাত্রীরা আসছে না যার কারণে এই পরিবারগুলো এখন গভীর সংকটে। সব মিলিয়ে লকডাউন আবার যদি বারতে থাকে তাহলে সামনে এই পেশা থেকে ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে হবে। না হলে জীবন-জীবিকা বাঁচানো দায় হয়ে পড়ছে জানাচ্ছেন টোটো চালকরা। 


টাকি টোটো ইউনিয়নের সম্পাদক সুবীর চক্রবর্তী বলেন, ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে শিয়ালদা হাসনাবাদ লোকাল এর উপরেই আমাদের ভরসা, প্রায় এখানে শতাধিক টোটো আছে সেই সঙ্গে পাঁচ শতাধিক পরিবার সদস্য রয়েছে আমরা কিছু বুঝতে পারছিনা। যার কারণে আমরা ঘোর বিপাকে, ইতিমধ্যে টাকি পৌরসভার পুরো প্রশাসক সোমনাথ মুখোপাধ্যায় কে বলে কোন লাভ হয়নি। আমরা সরকারি রেজিস্ট্রিকৃত সংগঠন বারবার বলা সত্ত্বেও আমরা কোন অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধা পাই না, কি করে আগামী দিনগুলো চলবে বুঝতে পারছি না, পরিবারের সদস্যরা প্রায় অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন।


 পরিবারের সদস্য শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য বলেন, লোকাল ট্রেনের যাত্রী ও পর্যটকদের উপরেই নির্ভর করে আমাদের সংসার চলে, সেটা বন্ধ হয়ে গেছে জীবন-জীবিকায় টান পড়েছে। এইভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে আমাদের অনাহারে থাকতে হবে। যেটুকু রেশনিং চাল-ডাল পাই তার ওপরে কি সংসার চলে। তিনি আরো বলেন, ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে টোটো কেনা হয়েছিল কি করে লোন শোধ করবো,আর কিভাবে ছেলে মেয়েদের মুখে অন্ন তুলে দেবো। সব মিলিয়ে গভীর সংকটে টাকি টোটো চালক ও  চালক পরিবার।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.