দুর্ঘটনার তত্ত্ব ময়নাতদন্তের পর বদলে গেল খুনে
দি নিউজ লায়ন; দুর্ঘটনার তত্ত্ব ময়নাতদন্তের পর বদলে গেল খুনে । আর তার তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতেই মঙ্গলবার দুজনকে গ্রেপ্তার করল নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ । শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে রাখার আপত্তিতে ছেলের শ্বশুরকে খুন করল বাবা। মাস খানেক আগে এই ঘটনার তদন্তের ইতি টানলেন তদন্তকারী অফিসাররা। ধৃত গোপাল দাস এবং তার সঙ্গী চিত্ত হালদারকে এদিন বারুইপুর আদালতে তোলা হলে ছয় দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের সময় খেয়াদহ দুই নম্বর অঞ্চলের উচ্ছেপোতা এলাকা থেকে নারায়ণ হালদার নামে ওই ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের র মনে হয়, গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ময়নাতদন্তের পাঠানোর পর বদলে যায় সব। তাঁকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে জানা যায়। এরপর তদন্তে নেমে উঠে আসে গোপাল দাসের নাম। তার ছেলে বিয়ের পর থেকে কসবায় শ্বশুরবাড়িতে থাকছিলেন। এটাই মেনে নিতে পারেননি গোপালবাবু। ছেলেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বিয়াইকে দুষছিল সে।
তখনই ঠিক করে নারায়ণ বাবুকে খুন করবে। চিত্ত নামে এক সঙ্গীকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে এই কাজে রাজি করায় অভিযুক্ত। তারপর একদিন বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার নাম করে গাড়ি তে তুলে খেয়াদহ অঞ্চলে একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে কুপিয়ে খুন করে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় ওই দুজন। শেষমেশ আর পালিয়ে থাকতে পারেনি ওই দুই অভিযুক্ত।

Post a Comment