সুন্দরবনে ভরা কোটালের ফলে আতঙ্কে সুন্দরবনবাসী - The News Lion

সুন্দরবনে ভরা কোটালের ফলে আতঙ্কে সুন্দরবনবাসী

 


দি নিউজ লায়ন;    রাত পোহালে সুন্দরবনের নদী গুলিতে পূর্ণিমার ভরা কোটাল।ফলে আতঙ্কে সুন্দরবনবাসী তাকিয়ে নদী গুলির দিকে।কেননা গত ২৬ ও ২৭ মে ঘূর্ণিঝড় ইয়াশের তাণ্ডবে সুন্দরবনের বিস্তীর্ন এলাকায় নদী বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে নোনা জল ঢুকে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হয়ে ছিল।নোনা জলের তোড়ে ভেসে গিয়ে ছিল ঘরবাড়ি থেকে শুরু করে পুকুরের মাছ চাষ,কৃষি জমি।এমনকি পড়ে গিয়ে ছিল বিদ্যুতের খুঁটি গুলি।ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের যন্ত্রণা সহ্য করতে না করতে আবার ২৬ জুন পূর্ণিমার ভরা কোটাল।আর ইয়াসের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনের আজ ও আশ্রয় স্থল বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে,ত্রাণ শিবির এবং রাস্তার উপর প্লাসটিক টাঙিয়ে টোল কাটিয়ে।


ঘূর্ণিঝড় ইয়াশের তাণ্ডবে গোসাবা,কুমিরমারি,কচুখালি,রাঙাবেলিয়া সহ বিভিন্ন ত্রাণ শিবির গুলিতে প্রায় এক হাজারের উপর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজন আশ্রয় নিয়ে আছে।এমনকি গোসাবার রানিপুর গ্রামে প্রায় ১৫ টি পরিবারের লোকজন রাস্তার উপর প্লাসটিক দিয়ে টোল কাটিয়ে আশ্রয় নিয়ে আছে।কেননা ইয়াশের তাণ্ডবে তাদের সব কিছু কেড়ে নিয়েছে।এদিকে সুন্দরবনের ক্যানিং-১ ও ২,বাসন্তী, গোসাবা সহ বিভিন্ন ব্লক গুলিতে চলছে মাইকের মাইকিং।সর্তক করা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে সমস্ত মানুষজন নদীর পাড়ে বসবাসকারী তাদের সাইক্লোন শিবিরে চলে আসার জন্য।


তবে ইতিমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর পাড়ে বসবাসকারীদের সরিয়ে আনার কাজ শুরু করেছে।যেহেতু রাত পোহালে সুন্দরবনের নদী গুলিতে ভরা কোটাল।সুন্দরবনের করতোয়া,মাতলা,বিদ্যাধরী,গোমর,হানা সহ বিভিন্ন নদী গুলিতে ইতিমধ্যে জলের উচ্চতা বাড়তে শুরু করেছে।এদিকে প্রশাসনের তৎপরতা তুঙ্গে।যাতে কোন রকম মানুষের সমস্যা না হয় তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জেলা প্রশাসন।ক্যানিং-১ বিডিও শুভঙ্কর দাস এবং গোসাবা বিডিও সৌরভ মিত্র জানান মাইকে মাইকিং করে সাধারণ মানুষজনকে সর্তক করে সচেতন করা হচ্ছে।যেহেতু রাত পোহালে পূর্ণিমার ভরা কোটাল।এছাড়া এ বিষয়ে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.