তুফানগঞ্জে ড্রোন উড়িয়ে নদী বাঁধগুলিতে নজরদারি চালানোর কাজ শুরু
দি নিউজ লায়ন; তুফানগঞ্জে ড্রোন উড়িয়ে নদী বাঁধগুলিতে নজরদারি চালানোর কাজ শুরু। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে এই কাজে বেশ কয়েকটি ড্রোন ক্যামেরা কাজে লাগানো হয়েছে। ড্রোন ক্যামেরাগুলি নিয়ে ব্লকের অধীনে থাকা বিভিন্ন নদী বাঁধগুলির সামনে যাচ্ছেন সেচ দফতরের কর্মীরা। বাঁধের উপর দিয়ে ড্রোন উড়িয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছেন একমাথা থেকে অপর মাথা পর্যন্ত।
বাঁধের যেসমস্ত অংশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ছবি তুলে নিচ্ছেন। ড্রোন ক্যামরা ব্যবহার করার জন্য চিহ্নিত করনের কাজের গতি পেয়েছে। সম্প্রতি ভারী বৃষ্টির জেরে ব্লকের বিভিন্ন নদী বাঁধগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূলতঃ তুফানগঞ্জ মহকুমার দুটি ব্লকের মধ্যে যেসমস্ত এলাকাগুলি বন্যা প্রবন। সেগুলির নদীবাঁধ বর্তমানে কি অবস্থায় রয়েছে। তা চটজলদি দেখার জন্য এই ড্রোন ক্যামেরা গুলিকে কাজে লাগানো হয়েছে। বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলির ছবি তুলে নেওয়া হচ্ছে।
ওই ছবিগুলি পাঠানো হবে জেলা প্রশাসনের কাছ। সেই মতই প্রশাসন কাজে নামবে। রবিবার এবং সোমবার এই দুইদিনে তুফানগঞ্জ ব্লক প্রশাসন দুটি ব্লকের মধ্যে থাকা বেশ কিছু নদী বাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে। ইতিমধ্যেই তুফানগঞ্জ ১ ব্লক প্রশাসন দেওচড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতের নেপালের খাতা, নাটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের হাপরামারা, বাংলাদেশ সীমান্তের বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েতের চর বালাভূত এবং তুফানগঞ্জ শহর সংলগ্ন নাককাটিগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের কামাত ফুলবারি এলাকার নদীবাঁধগুলির পরিস্থিতি ড্রোন ক্যামেরা উড়িয়ে দেখেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলির ছবিও তুলে নিয়েছে। একইভাবে তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের অধীনে থাকা বিভিন্ন নদীবাঁধগুলিও ব্লক প্রশাসন খতিয়ে দেখছে। তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডু বলেন, বন্যা প্রবন এলাকাগুলির পাশে থাকা নদীবাঁধগুলির পরিস্থিতি বর্তমানে কি অবস্থায় রয়েছে, তা অল্প সময়ের মধ্যে খতিয়ে দেখার জন্যই আমরা ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করছি। বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলির ছবি তুলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। যদিও এই ড্রোনের বিষয়ে তুফানগঞ্জ ১ ব্লকের বিডিও দেবর্ষি বন্দোপাধ্যায় বিস্তারিতভাবে কিছু জানাতে চাননি। কাজ শুরু হয়েছে এটাই তিনি শুধু জানিয়েছেন।

Post a Comment