মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিতেই উত্তর ২৪ পরগণায় অনেকেই বেসুরো বাজতে শুরু করেছে
দি নিউজ লায়ন; মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিতে না দিতেই উত্তর ২৪ পরগণায় অনেকেই বেসুরো বাজতে শুরু করে দিয়েছেন। অনেকেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের প্রশংসা করতেও শুরু করে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এই জেলা ঘিরে গেরুয়া শিবিরের দুঃশ্চিন্তার পারদ চড়ছে। ইতিমধ্যে বিজেপি না ছাড়লেও বনগাঁ বিজেপির সাংগাঠনিক জেলার সহ সভাপতির দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতা তপন সিনহা। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মুকুল রায়ই তাঁর রাজনৈতিক গুরু।
মুকুল রায়ের সঙ্গেই তিনি বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তবে এখনই তিনি বিজেপি ছাড়বেন কি না তা স্পষ্ট করেননি। এদিকে মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই এই জেলার অনেক বিজেপি নেতা বিধায়করা বেসুরো হতে শুরু করেছেন। আগে থেকেই বেসুরো হওয়া বর্তমানে বাগদা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিত দাস মুকুল রায় তৃণমূলে যাওয়ার পর তাতপর্যপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মুকুল রায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক।
মমতা-অভিষেকের সঙ্গেও তাঁর ভালো সপর্ক। তবে তিনি এখনই রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি বলেও জানান। অন্যদিকে এই জেলার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের একটা সময়ের বিধায়ক এবং গারুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান তথা বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের আত্মীয় সুনীল সিং মুকুল রায়ের তৃণমূলে যোগের পরেই মুকুল রায়ের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মুকুল রায়ের হাত ধরেই ২০০৯ সালে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম।
মুকুল রায়ের বিজেপি ত্যাগের ফলে বিজেপির ক্ষতি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। উল্লেখ্য, এর আগে এই বিশ্বজিত দাস ও সুনীলসিং বিধানসভায় অমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।যা নিয়ে সেই সুয় গেরুয়া শিবিরে যথেষ্ট জলঘোলা হয়। এঅনকী একুশের ভোটের মুখে বিজেপির নীতি নিয়েও সাংবাদিক সম্মেলন করে সরব হয়েছিলেন বিশ্বজিত দাস। অন্যদিকে, গতকাল শুক্রবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বনগাঁ সাংগাঠনিক জেলায় বৈঠক করেন।
সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না, বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিত দাস, ছিলেন না গাইঘাটার বিধায়ক তথা ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ির সদস্য সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া এবং বনগাঁর বিজেপি সাংসদ তথা ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ির সদস্য শান্তনু ঠাকুর। ফলে তাদের নিয়েও বাড়ছে জল্পনা।
Post a Comment