তৃতীয় ঢেউয়ের প্রস্তুতি হিসেবে উত্তরবঙ্গে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেন্টাল কলেজে চালু হলো সেফহোম - The News Lion

তৃতীয় ঢেউয়ের প্রস্তুতি হিসেবে উত্তরবঙ্গে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেন্টাল কলেজে চালু হলো সেফহোম

 


দি নিউজ লায়ন;  তৃতীয় ঢেউয়ের প্রস্তুতি হিসেবে  উত্তরবঙ্গে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেন্টাল কলেজে চালু হলো আরও একটি  সেফহোম। কোভিড টেস্ট বাড়াতে উত্তরবঙ্গের প্রতি জেলায় আরটিপিসিআর ল্যাব চালু হতে চলেছে। অলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি হাসপাতালে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই চালু হতে চলেছে এই ল্যাব বলে জানান উত্তরবঙ্গ জনস্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ সুশান্ত রায়। 


উত্তরবঙ্গে প্রথম দাঁতব্য চিকিৎসা প্রাঙ্গনে কোভিড চিকিৎসায় জন্য সেফহোম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে উত্তরবঙ্গ ডেন্টাল কলেজ। সোমবার উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেন্টাল কলেজের সেফ হোমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেফহোমকে দ্রুত কোভিড কেয়ার সেন্টারে ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দেন উত্তরবঙ্গ জনস্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ সুশান্ত রায়ের। তিনি বলেন তৃতীয় ঢেউয়ের প্রস্তুতি নিয়েই আমরা এগোচ্ছি। 


সেক্ষেত্রে ডেন্টাল কর্তৃপক্ষকে তিনি জানান দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় থেকে সেফহোমের কার্যকারিতা কমেছে। এই সেফহোমটিকে কোভিড কেয়ার সেন্টার হিসেবে তৈরি করা হোক। তার জন্য অক্সিজেন পাইপলাইন সংযুক্ত করতে হবে। যা স্বাস্থ্য ভবনের কাছে জানানো হলে তা দ্রুত অনুমোদন মিলবে সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কাজ থেমে রাখে না। পরিকাঠামোগত এই কাজের জন্য ৩-৪ দিন সময় লাগবে। সত্ত্বর এই পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হোক বলে জানান তিনি। 


এদিকে এই সেফহোমে পুরুষ ও মহিলা উভয় ওয়ার্ড রয়েছে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দ্রুত লিকুইড অক্সিজেনের কাজ শুরু হবে। অক্সিজেন প্ল্যান্টের ইতিমধ্যেই অনুমোদন মিলেছে বলেও জানান উত্তরবঙ্গ জনস্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ সুশান্ত রায়। এদিন উত্তরবঙ্গ জনস্বাস্থ্য আধিকারিক, রুগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ডঃ রুদ্রনাথ ভট্টাচার্য্য, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের উপস্থিতিতে  উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মনরোগ বিভাগে পোস্ট কোভিড সাইক্রাটিক ক্লিনিকও চালু করা হয়।


 এখানে বহির্বিভাগের পাশাপাশি ৩০শয্যার ইউনিট রয়েছে প্রয়োজনে সেখানে রুগীদের ভর্তি করা হবে। ১০টি শয্যা পৃথক কোভিড সেরে ওঠার পরবর্তী মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার জন্য রাখা হয়েছে বলে জানায় মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে দার্জিলিং জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ প্রলয় আচার্য্য জানান জেলায় পাহাড় ও সমতল মিলে কোভিড সংক্রমনের সক্রিয় রুগীর সংখ্যা ১৫০০-১৬০০ তে নেমে এসেছে। যা আগে ছিল ৩০০০-৩৫০০০। 


উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সহ জেলার হাসপাতাল সেফহোম গুলিতে ফাঁকা পড়ে রয়েছে বেড।তিনি সমীক্ষা তুলে জানান  ৩২-৪০% কোভিড রুগী উত্তরবঙ্গ মেডিকেলে রয়েছে বাকি কোভিড ওয়ার্ডের শয্যা ফাঁকা। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ৭-৮% রুগী রয়েছে বাকি ফাঁকা পড়ে রয়েছে পুরো কোভিড ওয়ার্ড। তবে গত ২-৩দিনে জেলায় সংক্রমন সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে যা নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।


 জমায়েত এলাকাগুলি নিয়ন্ত্রনে আনতে হবে। তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য শিশুদের এসএনসিইউ ও আইসিইউ শয্যা বাড়িয়ে পরিকাঠামো উন্নতর করা হচ্ছে। আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় দার্জিলিং জেলা প্রস্তুত থাকছে। ভ্যারচুয়াল মিটে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জেলায়  ০-১২বয়সী শিশুদের মায়েদের দ্রুত টিকাকরনের ব্যাবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.