এলাকায় শ্লো ইনটারনেট পরিষেবা, পড়ুয়াদের সুবিধার্থে লাগানো হল ওয়াইফাই - The News Lion

এলাকায় শ্লো ইনটারনেট পরিষেবা, পড়ুয়াদের সুবিধার্থে লাগানো হল ওয়াইফাই

 


দি নিউজ লায়ন;  এলাকায় শ্লো ইনটারনেট পরিষেবা। ছাত্র ছাত্রীদের অনলাইন ক্লাস করার জন্য গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দাদের  উদ্যোগে লাগান হল হাইস্পীড ওয়াইফাই। বর্তমানে করোনা অতিমারীর আবহে বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ এমনকি বন্ধ টিউশনও। শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস। এমনকি রাজ্য সরকার পক্ষ থেকে ট্যাব কেনার জন্য উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১০হাজার টাকা। তার পরেও ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ২নং ব্লকের ভামাল গ্রামে খুবই শ্লো ছিল জিও ও এয়ারটেল এর ইনটারনেট পরিষেবা। 


এমনকি ছাত্রছাত্রীরা ঠিক করে তাদের অনলাইন ক্লাসও করতে পারতো না। ছাত্রছাত্রীদের এই সমস্যার কথা জানতে পেরে এলাকারই চারজন বাসিন্দা ওয়াইফাই বসানোর উদ্যোগ নেন। তারা হলেন ভুবনেশ্বরে কর্মরত ইলেকট্রনিক টেকনিশিয়ান রাজেশ তরাই, বিষ্ণুপদ বেরা, অঙ্গদ বধূক, দেবাশীষ তরাই। এলাকারই বিদ্যুৎ এর ২টি খুঁটিতে লাগানো রয়েছে দুটি অন এয়ার ওয়াইফাই। ৩০০থেকে ৪০০মিটার দূরত্বের মধ্যে থাকা সকল ছাত্রছাত্রীরাই এটি ব্যবহার করতে পারবেন। ওয়াইফাই ফ্রীতে পেলে ছেলেমেয়েরা অপব্যবহার করতে পারে৷


 এবিষয়ে রাজেশ জানান, "শুধুমাত্র ওদের ব্যবহারিক ওয়েবসাইট গুলি ছাড়া সবকাটা ওয়েবসাইটই চাইল্ড লক দিয়ে লক করা থাকবে। এবং টিউশান, কলেজ ও স্কুল এর সময়েই অন থাক ওয়াইফাইটি।" তিনি আরও বলেন যে, "আমরা চারজন নিজে থেকে ইনভেস্ট করেই এই উদ্যোগটি শুরু করেছি। আগামী দিনে আরও একদুটো বসানোর প্ল্যান রয়েছে। এমনকি ছাত্রছাত্রীরা যদি মাসের রিচার্জ টা নাও দিতে পারে। আমরা সেটা করে দেওয়ার চেষ্টা করবো। কলকাতার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র ভামাল গ্রামের বাসিন্দা তপন তরাই জানান, "করোনার জন্য কলেজ বন্ধ। অনলাইন ক্লাস হচ্ছে। নেট এখানে খুবই শ্লো। তাই সমস্যা হচ্ছিল। অবশেষে এই দাদা দের লাগানো ওয়াইফাই থেকে আমি অনলাইন ক্লাস গুলি করতে পারছে। অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই তাদের এহেন উদ্যোগ কে।"

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.