কোচবিহারে ফের প্রকাশ্যে আদি নব্যের লড়াই
দি নিউজ লায়ন; শনিবার দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন দলের নেত্রী এবার সরাসরি ভাজপার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ দলের যুব মোর্চার সদস্যদের। শীতলকুচি বিধানসভা এলাকায় নেতারা লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি। যুব মোর্চার তরফ থেকে সরাসরি অভিযোগ করা হয়েছে এই টাকা পকেটে ঢুকেছে সংযোজক, সহ সংযোজক এবং হিসাব রক্ষকের। দলের ফান্ডের টাকা এভাবে আত্মসাৎ কোন অবস্থাতেই তারা মানবেন না বলে জানিয়েছেন।
যুব মোর্চার একাংশের অভিযোগ,দলের কাজের জন্য কর্মীদের যে টাকা দেওয়া হয়েছিল সেই টাকা শীতলকুচি বিধানসভার সংযোজক, সহকারি সংযোজক আত্মসাৎ করেছেন, যারা প্রকৃত অর্থে বিধানসভায় কাজ করেছে তারা কেউ টাকা পায়নি। যুব মোর্চার একাংশের দাবি, শীতলকুচি এলাকায় প্রচুর কর্মী ঘরছাড়া তাদের খোঁজখবর পর্যন্ত রাখেননি সংযোজক ও সহকারি সংযোজকরা। শীতলকুচি র বিজেপি সদস্য জিত সরকার বলেন, অমিত শাহের প্রোগ্রামের দিন শীতলকুচি তে 3700 টাকার মাইক তিনি ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলে আজ তিনি ঘরছাড়া। কেউ খোঁজ পর্যন্ত করতে আসেনি। পাশাপাশি অনেকেই দাবি করেছেন অমিত শাহর প্রোগ্রামের টাকা এখনো বাকি রয়েছে এ বিষয়ে নবনির্বাচিত বিধায়ক কোনো উচ্চবাচ্য করছেন না।
নেতাদের অনুপস্থিতি এবং স্থানীয় কর্মীদের ক্ষোভ বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং সাংগঠনিক অবক্ষয়কে পুরোমাত্রায় সামনে নিয়ে এসেছে কোচবিহার জেলায়।
প্রসঙ্গত, শনিবার দলের বেশকিছু নেতৃত্ব এবং মন্ডলের সংযোজক দের বিরুদ্ধে মুখ খুলে ছিলেন দলের নেত্রী দীপা চক্রবর্তী। তার কথা অনুসারে, তৈলমর্দন করে মানুষের উপকার করা যায় না, কর্মীদের পাশে থাকাটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল থেকে যারা দলে এসেছিলেন তারা কোণঠাসা। হয়তো নিজেদের অনিচ্ছার কারণেই তারা কাজ করছেন না মানুষের হয়ে, বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। আজকের যুব মোর্চার এই ক্ষোভ তার অভিযোগকে উদাহরণ সহ প্রমাণিত করলে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Post a Comment