পশ্চিমবঙ্গের শ্রেষ্ঠ নৃত্য শিল্পী হিসাবে সম্মান পেলেন বেলদার পিউলি পতি
দি নিউজ লায়ন; পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণ গড় ব্লকের অন্তর্গত খাকুড়দার বড়মোহন পুরের মেয়ে পিউলি পতি , যে ছোটো বেলার থেকে নাচ নিয়ে এগিয়ে চলেছে । ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ড নামে একটি সংস্থা , যেখান থেকে তাকে "বেস্ট অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড ২০২১ " মনোনীত করা হয়েছে। পশ্চিম বঙ্গের শ্রেষ্ঠ নৃত্য শিল্পী এবং ভারত বর্ষের শ্রেষ্ঠ শাস্ত্রীয় নৃত্য শিল্পী ও লোকনৃত্য শিল্পী হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়েছে। পিউলি বর্তমানে বেলদা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা , পিউলি এই অ্যাওয়ার্ড টি পেয়েছে ,,, পিউলি কে এই সন্মান টি মনোনীত করা হয়েছে এই বছর মার্চ মাসের ১২ তারিখ । তারপরে কুরিয়ার এর মাধ্যম এ সে এগুলো নিজের হাতে পায়,,,২০ ই মার্চ ২০২১তারিখ ।
এ স্বপ্নের মত একটি জায়গা যেটা সে কখন ও আশা করতে পারে নি ,,,শুধু এটা নয় এটার আগেও সে অনেক কিছু পেয়েছে ,,,মাত্র তিন বছর বয়স থেকে মায়ের হাত ধরে তার নাচ শেখার পথ চলা শুরু ,,,মায়ের স্বপ্ন ও নিজের ইচ্ছে কে সঙ্গে নিয়ে শুরু কথক ,সৃজনশীল , রবীন্দ্র নৃত্য ,,লোক নৃত্য এবং ভরত নাট্যম প্রশিক্ষণ । ২০০৪ সালে জেলা ভিত্তিক সৃজনশীল নৃত্যে সুনামধন্য অভিনেতা শ্রী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী সোমা মুখার্জি বিচারে সে হয় প্রথম । ২০১৩ সালে গিরিশ মঞ্চে ভারত বর্ষ ব্যাপি কথক নৃত্যে পরিবেশনে পিউলি প্রথম হয় । পিউলি পতির প্রথম গুরু হলেন শ্রীমতী কৃষ্ণ দাস ও সন্দীপ পাত্র । বর্তমানে পিউলি ভরত নাট্যম ও সৃজনশীল নৃত্যে প্রশিক্ষক শ্রী কোহিনুর সেন বরাট ও দ্রাবিণ চ্যাটার্জি র ছাত্রী । এছাড়াও ভরত নাট্যম শেখে মালবিকা সেন এর সুযোগ্য ছাত্র সৌরভ চ্যাটার্জি র কাছে এবং কথক সুপ্রভা মহান্তি। পিউলি ২০১৯ সালে "আমি শ্রেয়" একটি প্রতি যোগিতায় যেটা ছিল এক টি রাজ্য ব্যাপি প্রতি যোগিতা সেখানে সে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ।
এবং তারপর কলকাতার চেতলা মুরারী সংঘের স্মৃতি সম্মেলন যেটি ছিলো ভারত বর্ষ বাপি একটি প্রতিযোগিতা তাতে সে লোকনৃত্য তে ৮৫% নম্বর পেয়ে সবার মধ্যে ও প্রথম স্থান অধিকারী হয়ে স্থান লাভ করে। এবং তার পর ২০২০ সালে আবার ও চেতলা মুরারী স্মৃতি সম্মেলন এ রবীন্দ্র নৃত্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এছাড়া ও বিভিন্ন রকম ইন্টার ন্যাশনাল ড্যান্স ফেস্টিভ্যাল এ স্টেজ গুলো তে অংশগ্রহণ করে থাকে । পিউলি র অনেক বড়ো ইচ্ছে বড়ো নৃত্য শিল্পী হওয়ার ,নাচের জগতে তাকে প্রথম নিয়ে আসে তার মা ,,,পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের কাছ থেকে সাহায্য পায় নি। আমাদের সবার ইচ্ছে পিউলি যেনো অনেক বড় শিল্পী হয়ে ওঠে ,,, তার সাথে সাথে যেনো হয়ে ওঠে অনেক বড়ো মানুষ । এগুলোর সঙ্গে সঙ্গে পিউলি চায় তার নৃত্য শৈলী নিয়ে আমাদের পশ্চিম মেদিনীপুরের নাম ও তার নিজের রাজ্যের নাম পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তুলে ধরার চেষ্টা করছে , তার জন্য তার একটি কাজ ও চলছে। আমাদের সকলের শুভকামনা ও আশীর্বাদ রইলো পিউলি যেনো ওর লক্ষ্যে সফল হতে পারে।

Post a Comment