সকাল থেকে বীজপুর বিধানসভার কাঁচড়াপাড়া ও হালিশহরে সন্ত্রাস
দি নিউজ লায়ণ; বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বীজপুর বিধানসভার কাঁচড়াপাড়া হালিশহরে সন্ত্রাস চালাচ্ছিল অর্জুন সিং এর গুন্ডারা। হার নিশ্চিত বুঝে গিয়ে দুপুরে দলবল নিয়ে ময়দানে নামলেন খোদ বিজেপি প্রার্থী শুভ্রাংশু রায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিবেষ্টিত হয়ে একের পর এক তৃণমুল ক্যাম্প অফিস ভাঙলেন, তৃণমূল কর্মীদের মাটিতে ফেলে পেটালেন। প্রায় আধঘন্টা ধরে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের 200 মিটারের মধ্যে গুন্ডামি করলেন অথচ এই সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর একজন কেও কিংবা পুলিশের একজন আধিকারিককে ঘটনাস্থলে দেখা গেল না। তৃণমূলের অভিযোগ, কাঁচড়াপাড়ায় শুভ্রাংশু রায়ের বাড়ির একেবারে কাছে যেখানে এই ঘটনা ঘটে সেখানে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছিল।
দুপুর দুটো নাগাদ আচমকা কম করে 30 থেকে 40 জন দুষ্কৃতি নিয়ে চলে আসেন বিজেপি প্রার্থী শুভ্রাংশু রায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়। ক্যাম্প অফিসে হামলা হয়। যে সমস্ত তৃণমূল কর্মীরা বসেছিলেন সেখানে তাদের মাটিতে ফেলে বাঁশ লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। একাধিক তৃণমূল কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রায় আধঘন্টা ধরে এলাকায় কার্যত তাণ্ডব চললেও কোন সেন্ট্রাল ফোর্স বা পুলিশকর্মীকে ঘটনাস্থলের ধারে কাছেও দেখা যায়নি। তৃণমূলের লাগানো পতাকা ব্যানার সমস্ত ছিঁড়ে ফেলা হয়।
ঘটনা ঘটার প্রায় 45 মিনিট পরে এলাকায় আসে বীজপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। তখন অবশ্য ভাঙচুর চালিয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন শুভ্রাংশু। তৃণমূল কর্মীরা প্রতিবাদ জানালে উল্টে পুলিশ তাদেরই বাড়ি ফিরে যেতে বলে। গোটা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। এ প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, বীজপুর কেন্দ্রে নিশ্চিতভাবে শুভ্রাংশু রায় হারছেন এবং তৃণমূল জিতছে। যত সময় গড়াচ্ছে ততোই শুভ্রাংশু তা বুঝতে পারছেন এবং মেজাজ হারিয়ে বিনা প্ররোচনায় তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। মানুষ সব দেখেছেন তারা এর জবাব দিয়ে দেবেন। যে হেরে যায় সে হামলা চালায় এটাই রাজনীতির নিয়ম।

Post a Comment