শিলিগুড়িতে আদালত চত্ত্বরে ভোট চাইতে গিয়ে আইনজীবীদের প্রশ্নের জাঁতাকলে বেকায়দায় পড়লেন জোটসঙ্গী অশোক-শঙ্কর মালাকার
দি নিউজ লায়ন; শিলিগুড়িতে আদালত চত্ত্বরে ভোট চাইতে গিয়ে আইনজীবীদের প্রশ্নের জাঁতাকলে বেকায়দায় পড়লেন জোটসঙ্গী অশোক-শঙ্কর মালাকার।একইসঙ্গে বিধায়ক ও কাউন্সিলর আসন নিয়ে মেয়র পদ দখলে রেখেছেন এতদিন অশোক বাবু তার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আইনজীবিরা। বুধবার প্রচারে গিয়ে শিলিগুড়ি আদালতের বার এসোসিয়েশনে আইনজীবিদের প্রশ্নের মুখে একপ্রস্ত কাঠগড়ার দাঁড়ানো অপরাধীর মতই ভ্যাবাচ্যাক অবস্থা হয় সংযুক্ত মোর্চার দুই প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্য্য ও শঙ্কর মালাকারের।
অশোক বাবুর নৈতিকতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে এক আইনজীবী বলেন যে লোকটা বিধায়ক সে আবার ফের পুর নির্বাচনে অংশ নিয়ে কাউন্সিলর, তাহলে এভাবে দু জায়াগায় আসন দখলে রেখে আরএকজন মানুষকে কি বঞ্চিত করা হচ্ছে না। একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তির এ কেমন নৌতিকতা। সে প্রশ্নে বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন অশোক বাবু। তিনি আইনের দোহাই দিয়ে প্রশ্নের জবাবে পাশ কেটে যেতে চাইলেও, উক্ত আইনজীবীও তার প্রশ্নে অনড় থেকে চেপে ধরেন। আইনজীবী জানানা আমরা জানি এই বিষয়ে আইনি বাধা নেই কেউ চাইলে দুই জায়াগায় দাঁড়াতে পারেন। তবে রাজনৈতিক সহকর্মীদের ওপর কিছুটা নৈতিকতা প্রর্দশন করে সুযোগ দেওয়া উচিত বলে মনে হয়। কিছুতেই আইনজীবীর সঙ্গে না পেড়ে ওঠা অশোক বাবুর অবস্থা বুঝতে পেরে অবশেষে শঙ্কর মালাকার প্রসঙ্গ বদলে ফেলেন। তবে তাতেও রক্ষা মেলেনা।
কারন পাল্টা অপর এক আইনজীবী শঙ্কর মালাকারকে মাটিগাড়া-নকাশলবাড়ি নিয়ে তার বিগত নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে বলেন এই কেন্দ্রের বিস্তৃন অঞ্চল নিয়ে পৃথক জেলার প্রসঙ্গ বিধানসভায় তুলবেন এই প্রতিশ্রুতি আপনি দিয়েছিলেন। তবে তা এতগুলো বছরে একবারের জন্যও উঠে এলো না কেন?কলিম্পঙ জেলা হলো তাহলে মাটিগাড়া-নকাশলবাড়ির বিষয়টি উঠে এলো না কেন? শঙ্কর বাবু অবশ্য জানান সে সময় গোর্খাল্যান্ড এর দাবি ওঠায় আমরা পৃথক জেলার দাবি থেকে সরে আসি। কারন সে দাবি তুললে তাদের দাবিকে এগিয়ে দেওয়া হতো। পাশাপাশি ভক্তিনগর থানাকে শিলিগুড়ি আদালতের অন্তর্ভুক্তি,ফ্লাইওভার সহ শিলিগুড়িতে নিয়ে একাধিক দাবি জানান আইনজীবিরা। তার জবাবে অশোক বাবু বলেন চেষ্টা করবো। আর এতেই বেঁকে বসেন আইনজীবিরা। আইনজীবীদের মধ্যে প্রবল গুঞ্জন পাঁচ বছরে হাজার খানেক চিঠি লিখেছেন এবারেও জিতলে শুধু চিঠিই লিখবেন চিঠিবাবু অশোক।

Post a Comment