করোনার উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেবের হস্তক্ষেপে শিলিগুড়ি পুর এলাকার সমস্যার জট কাটছে
দি নিউজ লায়ন; করোনার উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেবের হস্তক্ষেপে শিলিগুড়ি পুর এলাকার সমস্যার জট কাটছে। এবার থেকে হোম আইসোলেশনে থাকা রুগীদের নিয়মিত হোয়াটস এপ গ্রূপ করে তার মাধ্যমে তাদের মনোবল বাড়াতে ভয়েস মেসেজের বার্তা প্রেরণ করবে পুরনিগম। সংক্রমিতদের মনোবল বাড়াতে তাদের যেকোনো রকম সমস্যায় পুরপ্রশাসন তাদের সহায়তা করবে সে ভয়েস বার্তা পাঠাবে। শিলিগুড়ি শহরে আক্রান্তের সংখ্যা নিত্যদিন ২০০ঘর পাড় করছে। জেলায়ও হুঁ হুঁ করে বাড়ছে সংক্রমন। তবে সে পরিস্থিতিতে শহরের চিকিৎসা পরিষেবা একপ্রকার বেসামাল হয়ে পড়ছে। সেফহোম নিয়ে ও হোম আইসোলেশনে থাকা রুগীদের ক্ষেত্রে পুরনিগমের তৎপরতার অভাবের অভিযোগ সামনে এসেছে।
মঙ্গলবার গৌতম দেব পুরনিগমের অধিকর্তাদের সঙ্গে সেফহোমে,আইসোলেশনে থাকা রুগী পরিসেবা সহ এম্বুলেন্স পরিসেবা প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করেন। গৌতম দেব জানান পুরনিগম দুটো এম্বুলেন্স রয়েছে করোনা রুগীর পরিষেবা প্রদানের জন্য। আরও একটি শববাহি যানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তাদের। তার ব্যবস্থা আমি করছি। আক্রান্ত পরিবারের বজ্য নিষ্কাশনের জন্য বিশেষ হলুদ রঙের ব্যাগ ব্যবহার করা হয় সেই সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছি। তারা এই ব্যাগের যোগান দেবেন। পুরো নিগমের আয়তায় শিলিগুড়ি ইনডোর স্টেডিয়ামে ৭০শয্যা বিশিষ্ট সেফহোমটি চালুর পাশাপাশি সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ উপযোগী শয্যা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবার করোনার সময়কালে সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ উপযোগী জরুরী শয্যার সংখ্যা ছিল ৮টি। এবারে তা বাড়িয়ে ১৮টি করা হয়েছে। শহরে আরও একটি জায়গায় সেফহোম তৈরির কথা হয়েছে। পুরনিগম জায়গা উপযুক্ত বাছাই করছে।
দ্রুত তা চালুর কথা জানানো হয়েছে।পাশাপাশি শহরে থাকা দু একটি ভবন ও সরকারি গেস্ট হাউস গুলিকে পরবর্তীতে পরিস্থিতি অনুযায়ী সেফ হোম হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে সে ভাবনা চিন্তা রয়েছে। ইতিমধ্যেই গেস্ট হাউসগুলি দেখা হচ্ছে, ভবনগুলির সঙ্গে কথা হয়েছে। একইসঙ্গে এদিন শহরের বেসরকারি হাসপাতালগুলির রুগী ফেরানোর অভিযোগ নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তিনি বলেন এভাবে কি করে শহরের রুগীদের ফিরিয়ে দিচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল। তাদের কাছে করোনা চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত শয্যাই বা কয়টা রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চান তিনি। গৌতম বাবু জানিয়ে দেন ১৩৬ টি শয্যা প্রস্তুত রয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তরের তালিকা অনুযায়ী তা বাড়িয়ে বেসরকারি ক্ষেত্রে ৪৪৩শয্যার সাতদিনের মধ্যে প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।

Post a Comment