পাশে দাঁড়ায়নি বিজেপি কংগ্রেস সিপিএম, বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের পাশে মালদার পরিযায়ী শ্রমিকরা - The News Lion

পাশে দাঁড়ায়নি বিজেপি কংগ্রেস সিপিএম, বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের পাশে মালদার পরিযায়ী শ্রমিকরা

 


দি নিউজ লায়ন;  টানা লকডাউনের জেরে  চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছিল মালদার পরিযায়ী শ্রমিকদের । হাতে কাজ না থাকায় অনেক কষ্ট করে সংসার চালাতে হয়েছিল জেলার বিভিন্ন এলাকার পরিযায়ী শ্রমিকদের।  আর সেই সময় নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্ব , এমনই দাবি করছেন জেলার অধিকাংশ পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবার। তাই এখন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের ওপরই আস্থা রাখছেন পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেই । তাঁদের সাফ কথা, ঘোর বিপদের সময় তো বিজেপির কেউ পাশে এসে দাঁড়ায় নি। তখন কেউ ছিল না। এখন নির্বাচনের সময় বিজেপি এবং জোটের বেশকিছু প্রার্থীরা প্রচারে আসছেন। 


কিন্তু তাদের সামনে আমরা কোন কিছু না বললেও, লকডাউনে যারা আমাদের দেখেছেন তাদেরকে আমরা দেখবো এরকম ফিসফাস আলোচনা পরিযায়ী শ্রমিকেরা শুরু করেছেন। বলাবাহুল্য, কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তেলেঙ্গানা, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যে মালদা জেলা থেকে প্রতি বছর কয়েক হাজার দিনমজুরের দল কাজ করতে যান। কিন্তু গত বছর লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই অনেক কষ্ট করে তাদের বাড়ী ফিরে আসতে হয়েছে । যার মধ্যে কালিয়াচক, মানিকচক, বৈষ্ণবনগর, মোথাবাড়ি, পুরাতন মালদা, চাচোল , রতুয়া, হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্রের শ্রমিকেরা রয়েছেন। ভিন রাজ্যে গিয়ে কেউ টাওয়ার,  বিল্ডিং তৈরির কাজ করেন। আবার কেউ কমলালেবু , আপেল সহ বিভিন্ন ধরনের পাহাড়ি ফল-সবজির জমিতে বাজারে দিনমজুরি করেন। কিন্তু লকডাউন চলাকালীন মালদায় নিজেদের বাড়ি ফেরার পরেও তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার তৃণমূলীরা। 


নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের মাধ্যমে রোজগারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল, এমনটাই দাবি করছে সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অধিকাংশ পরিযায়ী শ্রমিকেরা। তাই এখন তাদের মুখে তৃণমূলের জয়গান শোনা যাচ্ছে।সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের গয়েশবাড়ি এলাকার পরিযায়ী শ্রমিক আতাউল্লাহ শেখ, ফিরোজ শেখ, আব্দুল মিঞারা বলেন, লকডাউন চলাকালীন আমাদের কি অবস্থা হয়েছিল, সেটা রাজ্য সরকার ছাড়া আর কেউ ভাবে নি । তৃনমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর  সহ এলাকার তৃণমূলীরা বারবার আমাদের বাড়ি এসেছেন। এমনকি কুপনের মাধ্যমে সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। রোজগারের জন্য ১০০ দিনের কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল। কাজেই আমাদের দুর্দিনের এই সহযোগিতার কথা কখনোই ভুলবো না।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.