আজ পঞ্চম দফায় শুরু হওয়া আটটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট হলো
দি নিউজ লায়নঃ নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে আজ নদীয়ার আটটি বিধানসভার ভোট শেষ হলো ।শান্তিপুর ,চাকদাহ, গয়েশপুরে কিছুটা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে ।ভোটগ্রহণপর্বকে শান্তিতে মেটাতে প্রতিটি বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও কোনো জায়গায় অতি উৎসাহিত হয়ে সাধারণ মানুষের বিড়ম্বনা ঘটেছে। ওয়েব কাস্টিং ,মাইক্রো অবজারভার, সিসিটিভি, ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি বুথে থাকছে তীক্ষ্ণ নজরদারি ছিল। জেলা নির্বাচন আধিকারিক পার্থ ঘোষ জানিয়েছেন,' সব দিক মাথায় রেখে সমস্তরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েই ভোটগ্রহণ পর্বের আয়োজন করা হয়েছে।'শীতলকুচির ঘটনার কথা মাথায় রেখে জেলার ৫০ শতাংশের বেশি বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জেলা নির্বাচন আধিকারিক জানিয়েছেন,' এছাড়াও বেশ কয়েকটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে থাকছে মাইক্রো অবজারভার, সিসিটিভি, ভিডিও ক্যামেরা।
প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে থাকছে অন্তত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ৪জন জওয়ান।'জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে একাধিক কড়া পদক্ষেপ।৫০ শতাংশের বেশি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা, মাইক্রো অবজারভার, সিসিটিভি, ভিডিওগ্রাফার ব্যবস্থার ওপরে নজরদারি রাখা হবে আর টি ও অফিস ও জেলা সদর অফিস থেকে।আটটি বিধানসভার জন্য মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৯০৪ টি।আগে যে ক'টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিং মাইক্রো অবজারভার, সিসিটিভি, ভিডিও ক্যামেরা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, সম্ভবত শীতলকুচি ঘটনার পর তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।এবিষয়ে জেলা নির্বাচন আধিকারিক জানিয়েছেন,' এই দফার ভোটে ১ হাজার ৫৫০ টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে বুথে ছিল ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা,৪৪৬টি বুথে ছিল মাইক্রো অবজারভার,৫৪০ টি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা,৩৭০ টি বুথে ছিল ভিডিও ক্যামেরা।বুথের চারদিকে সব ব্যবস্থা ঠিক রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল ।কিন্তূ কয়েকটি জায়গায় সমস্যা তৌরি হয়েছিল।বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।প্রতিটি বুথে অন্তত ৪জন করে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান থাকবেন।
আটটি বিধানসভার মোট ২০ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৫৬ জন ভোটার ছিলো।তার মধ্যে মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১০ লক্ষ ১৪ হাজার ৫৭৩ জন আর পুরুষ ভোটার ছিলেন ১০ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৩ জন। অন্যান্য ভোটার রয়েছেন ৫০ জন।।মোট মহিলা পরিচালিত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৬২৯ টি।তার মধ্যে ১৫ টি মডেল বুথ থাকছে।হুইল চেয়ার নিয়ে ভোট দিতে যাওয়া ভোটারদের জন্য ছিল ১৩৬ টি বুথ।করোনা আবহের মধ্যে ভোট প্রক্রিয়া চালানোর জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।জেলা নির্বাচন আধিকারিক পার্থ ঘোষ জানিয়েছেন,'করোনা বিধি মেনে বিস্তারিত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।প্রতিটি বুথেই ভোটারদের শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য থাকছে থার্মাল স্ক্যানারের ব্যবস্থা।প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তিনবার করে স্যানিটাইজ করা হবে।কারও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকলে তিনি বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারবেন।তাকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে টোকেন।

Post a Comment