তৃণমূলকে হারাতে এবার ফোন কলের উপরেই নির্ভর করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - The News Lion

তৃণমূলকে হারাতে এবার ফোন কলের উপরেই নির্ভর করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 


দি নিউজ লায়ন;   তৃণমূলকে হারাতে এবার ফোন কলের উপরেই নির্ভর করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।চতুর্থ দফা ভোটের আগে ফোন কলের দাওয়াই দিলেন দলের কর্মীদের।    শুক্রবার মধ্যমগ্রামে রোড শো শেষ করে চৌমাথায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন এরাজ্য থেকে মমতা দিদিকে হারাতে হলে আপনারা প্রত্যেকে আপনাদের আত্মীয় পরিজন,পরিচিত মিলিয়ে  ৫০ জনক ফোন করুন।বলবেন মোদির হাতে এরাজ্যের ক্ষমতা দেওয়ার জন্য আগামী ১৭ এপ্রিল পদ্মফুল চিহ্নেে ভোট দিন।  


      মধ্যমগ্রামের মতো তৃণমূলের শক্ত ঘাটিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় রোড শো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মধ্যমগ্রামের বিজেপি প্রার্থী রাজশ্রী রাজবংশীর সমর্থনেই এদিন প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তায় রোড শো করেছেন অমিত।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রোড শো ঘিরে ঢল নেমেছিল বিজেপি কর্মীদের। রোড শো চলাকালীন মধ্যমগ্রাম সোদপুর রোড কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে এদিনও রাজ্যে বিজেপি ২০০ আসন পাবে বলেই ঘোষনা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মধ্যমগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্ব  অবশ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ২০০ আসন পাওয়ার আশা আসলে দিবাস্বপ্ন। বিজেপি মধ্যমগ্রাম কেন্দ্রের বাইরে থেকে লোক যোগাড় করেছে।


এদিন সন্ধ্যা ৬ টা ২৫ নাগাদ মধ্যমগ্রাম ফ্লাইওভার সংলগ্ন সোদপুর রোডে পৌছান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।এর ঘন্টা দুই আগে থেকেই মধ্যমগ্রাম সোদপুর রোড কার্যত দ চলে যায় বিজেপি কর্মীদের দখলে। ব্যান্ড, মহালা এবং পুরুষ ঢাকি,ছৌ নাচ থেকে আদিবাসী নাচও ছিল।রাস্তার দুই ধারে ছিল বিজেপি কর্মী   এবং মানুষের ঢল। মোবাইলে ছবি তুলেছেন তারা।রাস্তার দুধারের বাড়ির ছাদ, বারান্দায় দাঁড়িয়েও থাকতে দেখা গেছে স্থানীয়দের।জনস্রোত দেখে উচ্ছ্বসিত   কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের লক্ষ্য করে ফুল ছড়িয়েছেন।প্রায় এক কিলোমিটার রোড শো শেষ করতে এক ঘন্টা সময় লেগেছে।


মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় এসে গাড়ি থেকেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জয় শ্রীরাম এবং ভারত মাতার স্লোগান তুলেছেন।তিনি বলেন এদিন ছয় জায়গায় রোড শোয়ের কোনটা বড়,কোনটা ছোট আলাদা করা যাবে না।হাজার হাজার মানুষের জনস্রোত প্রমান করেছে দিদির সরকার আর থাকছে না।এ তিনি বলেন আপনারা কি কাটমানি,সিন্ডিকেট,তোলাবাজি,তোষনের সরকার চান? সামনের আমজনতা হাত নেড়ে বলেন না।এরপরেই তৃণমূলকে হারাতে ফোন কলের দাওয়াই দিয়েছেন দলিয় কর্মীদের।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.