শিলিগুড়ির বেসরকারি নার্সিংহোম থেকে লাপাতা করোনা রুগীর দেহ, হন্যে হয়ে শশ্মানে খোঁজ পরিজনদের - The News Lion

শিলিগুড়ির বেসরকারি নার্সিংহোম থেকে লাপাতা করোনা রুগীর দেহ, হন্যে হয়ে শশ্মানে খোঁজ পরিজনদের

 


দি নিউজ লায়ন;   শিলিগুড়ির বেসরকারি নার্সিংহোম থেকে লাপাতা করোনা রুগীর দেহ।হন্যে হয়ে শশ্মানে খোঁজ পরিজনদের। বেসরকারি হাসপাতাল থেকে পুরুষরুগীর পরিবর্তে পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হলো মহিলার মৃতদেহ। বুধবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো শিলিগুড়িতে। দুপুর ১.৩০নাগাদ  শিলিগুড়ির হরেন মুখার্জী রোডের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ৬২বছরের বৃদ্ধের কোভিডে মৃত্যু সংবাদ পেয়ে সেখানে যান মৃতের পরিজনেরা। শিলিগুড়ি ১৭নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি গত এক সপ্তাহ ধরে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার পরিবারে স্ত্রী ও মেয়ে দুজনেই কোভিড আক্রান্ত হয়ে হোম আইসোলেশনে থাকার দরুন তার নিকটস্থ পরিজনেরা সৎকার্যের জন্য হাসপাতালে দেহ আনতে যান।


 সেখান গিয়ে হচম্বিৎ হয়ে পড়েন মৃতের পরিজনেরা। পুরুষ রুগীর পরিবর্তে হাসপাতাল থেকে তাদের দেখানো হয় কোভিড আক্রান্ত মহিলার মৃতদেহ। আর এরপরেই তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান তাদের রুগীর দেহ কোথায়। আর এ প্রশ্নের জবাবে একেবারে নিরুত্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে অভিযোগ মৃতের পরিজন সিদ্ধার্থ মজুমদারের। বিস্ফোরক অভিযোগ  পরিজনদের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের জানায় শশ্মানে গিয়ে খোঁজ করুন, আপনাদের দেহ সেখানে মিলতে পারে। তাদের অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের জানায় দেহ বদল হয়ে গিয়েছে। মহিলা এবং ওই বৃদ্ধ দুজনেরই করোনায় মৃত্যু হওয়ায় তাদের বৃদ্ধের দেহ হয়তো বদলে মহিলার পরিবারের সঙ্গে শশ্মানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর মৃত পরিজনের দেহ খুঁজতে সাহুডাঙি করোনা  শশ্মানে ছুট লাগায় তারা। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন ওই হাসপাতাল থেকে আসা একটি মৃতদেহ ইতিপূর্বেই দাহকার্যে চুল্লি ঘরে চলে গিয়েছে।


 মৃতের পরিজন ১৭নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিদ্ধার্থ মজুমদার জানান ততক্ষণে আমরা বিষয়টি প্রশাসনিক উপরমহলে জানাতে শিলিগুড়ি মহকুমা শাসক ও দার্জিলিং সহকারী জেলাশাসক অভিযোগ মেলার পরই তুড়ান্ত পদক্ষেপ নেন। তাদের সহায়তায় শশ্মান কর্মীরা দাহকার্য আটকে রাখেন। কোভিডবিধির কারনে করোনা শশ্মানের নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে চুল্লিঘর থেকে মৃতের ছবি তুলে এনে আমাদের দেখান বেলা ৩.৩০নাগাদ। তিনি বলেন জেলা প্রশাসনিক কর্তারা ওই হাসপাতালের তরফে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। হরেন মুখার্জী রোডের ওই হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে জেলা প্রশাসনের তরফে নোটিস। ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের তরফে শহরের সমস্ত নার্সিংহোমকেই এধরনের ঘটনার যাতে 

পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকটি নজরে রেখে বিজ্ঞপ্তি পাঠাতে চলেছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.