ভ্যাক্সিন অপ্রতুল। তাই আলিপুরদুয়ারে করোনা টিকার প্রথন ডোজ দেওয়া বন্ধ করল জেলা স্বাস্থ্য দফতর - The News Lion

ভ্যাক্সিন অপ্রতুল। তাই আলিপুরদুয়ারে করোনা টিকার প্রথন ডোজ দেওয়া বন্ধ করল জেলা স্বাস্থ্য দফতর

 


দি নিউজ লায়নঃ  ভ্যাক্সিন অপ্রতুল। তাই আলিপুরদুয়ারে করোনা টিকার প্রথন ডোজ দেওয়া বন্ধ করল জেলা স্বাস্থ্য দফতর। তবে সর্বত্র দ্বীতিয় ডোজ দেওয়ার কাজ চালু রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। আলিপুরদুয়ার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরিশ চন্দ্র বেরা বলেন, " ভ্যাক্সিন অপ্রতুল থাকায় আমরা প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ করেছি। জেলার মোট ৮৭ টি কেন্দ্রে ভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। সর্বত্র দ্বীতিয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে। ভ্যাক্সিন এলে আবার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হবে।"   আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, জেলার ৮৭ টি কেন্দ্র থেকে বর্তমানে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।এর মধ্যে কোভিশিল্ড দেওয়া হচ্ছে ৮০ টি কেন্দ্র এবং ৭ টি কেন্দ্রে দেওয়া হচ্ছে কোভ্যাকসিন। দুই কেন্দ্র মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১,৪৮,৯২০ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।


তবে টিকা দেবার যে টার্গেট স্বাস্থ্য দফতর নিয়েছিল তা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ  কোনোটিতেই এখনও পূরন হয়নি বলেই জানা গিয়েেেছছ।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, স্বাস্থ্য কর্মীদের ও  সরকারি দপ্তরের কর্মীদের টিকা নেবার হার প্রায় ৭৫ শতাংশের উপরে।আবার গত শনিবার যারা ভোটের ডিউটি করেছেন তাদের প্রথম ডোজ নেবার হার প্রায় ৮৮ শতাংশ।তাদের আবার দ্বিতীয় ডোজ নেবার হার ৫৮.৩২ শতাংশ।এদিকে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানাগেছে,৪৫ বছর থেকে ৫৯ বছরের কোমরবিডিটি আছে এমন প্রায় ২৪৫৮৫০ জনকে প্রথম ডোজ দেবার জন্য টার্গেট করে স্বাস্থ্য দফতর। 


কিন্তু গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সেখানে টিকা নিয়েছেন মাত্র ৪৫৮১৩ জন।যারা প্রথম ডোজ টিকা নেন তাদের আবার দ্বিতীয় ডোজ দেবার কাজও শুরু হয়।কিন্তু দেখা যাচ্ছে সেখানেও মাত্র ১২৭২ জন টিকা নিয়েছেন।এদিকে ষাট বছরের ঊর্দ্ধে প্রায় ১৯৭৯৯১ জনকে প্রথম ডোজ দেবার টার্গেট নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত যে হিসেব পাওয়া গেছে তাতে দেখা যাছে মাত্র ৫৪২৬৫ জন প্রথম ডোজ নিয়েছেন।আর এদের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন মাত্র ২৯৯৩ জন।জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানাগেছে,জেলায় প্রায় ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৩৬৬ জনকে প্রথম ডোজ দেবার টার্গেট নেওয়া হয়।এর মধ্যে শনিবার পর্যন্ত মাত্র ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৬৩ জন টিকা নিয়েছেন।এই সংখ্যক গ্রহীতাকে আবার দ্বিতীয় ডোজ দেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়।


 জানাগেছে, ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৬৩ জনের মধ্যে শনিবার পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন মাত্র ২৩০৭০ জন।স্বাভাবিক ভাবেই জেলায় করোনার টিকা দেবার আগ্রহ কম থাকায় বিষয়টি নিয়ে চিন্তায় পড়েছে স্বাস্থ্য দফতর। আবার যে টিকা মজুত আছে তাও কয়েক দিনের মধ্যেই ফুরিয়ে যাবে বলেই স্বাস্থ্য কর্তারা জানিয়েছেন।এই অবস্থায় জেলায় টিকার আকাল দেখা দিলে আগামী দিনে টিকা দান মুখ থুবড়ে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা হচ্ছে।তাই জেলার চিকিৎসকদের একটি অংশ দাবি করেছেন সঠিক  সময়ে টিকা না পাওয়া গেলে সামনে বড়  বিপদ  আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।তবে বর্তমানে জেলায় কত ডোজ টিকা মজুত আছে বা আর কত ডোজই বা লাগবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি স্বাস্থ্য দফতর।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.