কমিশনারেট কোর্ট গড়ে প্রশাসনিক কেন্দ্র গড়ার ব্লুপ্রিন্ট হাতে নির্বাচনী ময়দানে গৌতম
দি নিউজ লায়নঃ শিলিগুড়ি পার্শ্ববর্তী চারটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে ডাবগ্রাম ফুলবাড়িকে পৃথক পুরসভা, কমিশনারেট কোর্ট গড়ে প্রশাসনিক কেন্দ্র গড়ার ব্লুপ্রিন্ট হাতে নির্বাচনী ময়দানে গৌতম। শিলিগুড়ি পুরনিগম সংযুক্ত ১৪টি ওয়ার্ড ও চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রামীন এলাকা নিয়ে ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র। আর সেখানকার দুই দফায় বিধায়ক সদ্য প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। ২০২১এ এই কেন্দ্রেই তৃতীয় বারের জন্য তৃণমূলের মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন তিনি।
তবে মাটি আঁকড়ে থাকলেও প্রতিপক্ষ সংযুক্ত মোর্চা ও বিজেপির সঙ্গে কার্যত তার লড়াইয়ের পরিস্থিতিই দেখছে না রাজনৈতিক মহল। কারন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে হাতিয়ার করেই নিজ বিধানসভা এলাকাকে বিগত ১০বছরে আমূল বদলে ফেলেছেন সদ্য প্রাক্তন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল থেকে বিদ্যুৎ পরিষেবা, রাস্তাঘাট সংযোগ ব্যবস্থা সবমিলিয়ে বাম আমলের পিছিয়ে পড়া প্রত্যন্ত গ্রাম এখন ঝাঁ চকচকে।বরং স্কুল কলেজ সম্প্রসারণ করে শিক্ষার উন্নতি থেকে কম খরচে অত্যাধুনিক ট্রাস্ট ফান্ডের হাসপাতাল স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি দুটি দমকল স্টেশন, শশ্মান ঘাট, পর্যটন ম্যাপে বেঙ্গল সাফারি ও মনুষ্যসৃষ্ট অরণ্য উল্লেখযোগ্যতার ছাপ ফেলেছে তার বিধানসভার কেন্দ্র।
কাজের নিরিখে যা শিলিগুড়ি শহরকে টেক্কা দিয়ে বর্তমানে কয়েকগুণ এগিয়ে থাকছে। আর এই উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই এই বিধানসভাকে মডেল বিধানসভা হিসেবে রাজ্যের মধ্যে তুলে ধরার টার্গেট স্থির করে আগামী পাঁচ বছরে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কমিশনারেট কোর্ট ও পৃথক পুরসভা করে মাইলস্টোন স্থাপন করতে চাইছেন তৃনমূল মনোনীত প্রার্থী গৌতম দেব। তিনি স্পষ্টতই বলেন প্রতিপক্ষ সংযুক্ত মোর্চা ও বিজেপি কোনো প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যেই কোনো মন্তব্য করার নেই। আমি কাজ করেছি। মানুষের সঙ্গে থেকেছি সবসময়। মডেল বিধানসভার দাবি ধরেই আগামী পাঁচ বছরে পদক্ষেপ নেবো। চারটি গ্রাম পঞ্চায়েত যে বিপুল উন্নয়ন হয়েছে ১০বছরে, এর পরবর্তী ধাপ হিসেবে এই বিধানসভার কেন্দ্রকে পুরসভা করার টার্গেট রয়েছে। সেক্ষেত্রে ডাবগ্রাম১ ও ২ এবং ফুলবাড়ি ১ও ২ মিলে নয়া পুরসভা গঠনের চেষ্টা চলছে। প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন এটা মনে রাখতে হবে এই এলাকা নর্থ ইস্ট এর গেট-ওয়ে। পৃথক পুরসভা চাই এটাই দাবি,তা নিয়েই এগোবো, পুরসভা না হলে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে।
অন্যদিকে এই বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি কেন্দ্রের এলাকার মানুষকে যেকোনো রকম আদালত ও প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে ৩৫-৪০কিমি দূর জলপাইগুড়ির ওপর নির্ভর করতে হয়। যা অত্যন্ত সমস্যার। সেজন্য এই বিধানসভা কেন্দ্রে পৃথক মেট্রোপলিটন কমিশনারেট কোর্ট হওয়া উচিত। কমিশনারেট কোর্ট হলে বাকি প্রশাসনিক সুবিধে হাতের নাগালে চলে আসবে। একই সঙ্গে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃনমূল প্রার্থী গৌতম দেব লোকসভা ভোটে ফলাফলে গেরুয়া শিবিরের এগিয়ে থাকার বিষয়ে বলেন সেক্ষেত্রে ওটা লোকসভা নির্বাচন ছিল। সবাই জানত ওটা মোদির নির্বাচন কোনো বিপক্ষ মুখ ছিলনা। সেসময় ওখানে মোদি ছিল তবে বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন রাজ্যে। এই বিধানসভায় আমি আছি। আমি হাওয়ায় ভেসে আসিনি। কাজ করেছি। কেউ আবেদন নিয়ে ফিরে যায়নি সম্ভাব্য চেষ্টা করেছি।

Post a Comment