বিজেপি প্রার্থী ছাত্র খুনি! ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলে পোস্টার পড়লো শিলিগুড়ি শহর জুড়ে
দি নিউজ লায়নঃ বিজেপি প্রার্থী ছাত্র খুনি! ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলে পোস্টার পড়লো শিলিগুড়ি শহর জুড়ে। শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর তথা সদ্য চে গুয়েভারার ট্যাটু হাতে বাম থেকে রামে এসে আচমকা ধর্মপ্রান হয়ে ওঠা শঙ্কর ঘোষের বিরুদ্ধে ছাত্র খুনের নায়ক এমন অভিযোগ এনে বেনামি পোস্টার পড়ে শহরে। শিলিগুড়ি শহরের ভেনাস মোড়, এয়ারভিউ মোড়,হাসপাতাল রোড সহ সমস্ত মুখ্য সড়ক এবং শহরের কেন্দ্রে বাঘাযতীন পার্কে এমন একাধিক পোস্টার সাটিয়ে দেওয়া হয়। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে শহরে। যেখানে লেখা রয়েছে ছাত্র হত্যার নায়ক শঙ্কর ঘোষকে একটিও ভোট নয়।
পাশাপাশি বহু বছর আগে খুন হয়ে যাওয়া ছাত্র নেতা সনু প্যাটেল এর নাম তুলে সে খুনের মূল অভিযুক্ত হিসেবে বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাড় করা হয় এই পোস্টারে লেখার মাধ্যমে। যদিও কে বা কারা এই পোস্টারের পেছনে রয়েছে তা জানা যায়নি। তবে বাম ছাত্র থেকে যুবনেতা থাকা শঙ্কর ঘোষের দীর্ঘ সময়কালের গুরু অশোক ভট্টাচার্য্যের অঙ্গুলি হেলনেই এই কাজ বলেই মনে করছে শহরের রাজনৈতিক মহলের বড় অংশ। ছাত্র নেতা হিসেবে সিপিএমের কলঙ্কিত অধ্যায়ের খুঁড়ে প্রকাশ্যে আনছেন শঙ্করের প্রাক্তন বাম সতীর্থরাই। যদিও এই বিষয়ে একাধিকবার পূর্বে অশোক ভট্টাচার্য্য এর আশ্রয়ে শিলিগুড়ি শহরে প্রকাশ্যে তিন যুব নেতাকে খুন হতে হয় অভিযোগ তুলে সরব হয় তৃনমূল নেতৃত্বরা। এমনকি ক্ষমতায় আসার পর খুনের মামলার তদন্ত চেয়ে আইনের দ্বারস্থ হয় তৃনমূল নেতৃত্ব।
শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন আমরা তদন্ত চেয়েছিলাম তবে দেখা যায় মামলা নিষ্পত্তির আগেই সে ফাইল লোপাট করে দেওয়া হয়েছিল বামেদের তরফে। বাম ও রাম তারা রক্তক্ষরণের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। বামেদের ইতিহাস ও রামের সাম্প্রদায়িক হানাহানি তারই প্রমাণ। তৃনমূল আমলে শিলিগুড়ির বুকে এধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে তিনি বলেন সনু প্যাটেল সহ উদয় চক্রবর্তী, দিবাকর মন্ডল এর খুনের পথপ্রর্দশক অশোক ভট্টাচার্য্য। তার আশ্রয়ে এই খুনগুলি হয়েছে। শঙ্কর তার পরে আসে রাজনীতিতে। এখন সে বিজেপিতে গিয়েছে জন্য বামেরা এসব বললে কি লাভ হবে! এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ বলেন রাতের অন্ধকারে যারা এসব করেছে তারা অন্ধকারের জীব। এত পুরোনো বিষয় খুঁড়ে তোলার কোনো অর্থ নেই। আমি পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানাবো।

Post a Comment