একনজরে দেখেনিন হুগলী জেলার ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের তথ্য - The News Lion

একনজরে দেখেনিন হুগলী জেলার ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের তথ্য

 


দি নিউজ লায়নঃ

১। চুঁচুড়া     

হুগলির চুঁচুড়া কেন্দ্রে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। শাসকদলের প্রার্থী অসিত মজুমদার গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৫০১ ভোট পেয়েছিলেন। অন্যদিকে গতবার চুঁচুড়া কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী প্রণব ঘোষ পেয়েছিলেন ৮৮ হাজার ৮১৭ ভোট। বিজেপি এই কেন্দ্রে গতবার তৃতীয় স্থানে ছিল। বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ২৫ হাজার ১২০।  

২।বলাগড়  

গত বিধানসভা নির্বাচনে হুগলির এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের অসীম কুমার মাঝি। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৬ হাজার ৪৭২। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পাঁচুগোপাল মণ্ডলকে হারিয়েছিলেন অসীম মাঝি। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭৮ হাজার ৬৩৫। এই কেন্দ্রে গতবার তৃতীয় স্থানে ছিল বিজেপি। কুড়ি হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী।    .

৩। পাণ্ডুয়া  

পান্ডুয়া বিধানসভা কেন্দ্র হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে সিপিএম ও তৃণমূলের মধ্যে জোরদার টক্কর হয়েছিল। তবে শেষ হাসি হেসেছিলেন সিপিএম প্রার্থী আজাদ হোসেন। তিনি তাঁর নিকতটম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের সৈয়দ রহিম নবীকে ১৩৯২ ভোটে হারিয়েছিলেন। গতবার পাণ্ডুয়ার সিপিএমের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯১ হাজার ৪৮৯। এই কেন্দ্রে গত বিধানসভা ভোটে তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থীর ঝুলিতে গিয়েছিল ১৭ হাজারের কিছু বেশি ভোট।    

 ৪।ধনেখালি  

হুগলির এই কেন্দ্রেও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জ পায় তৃণমূল। গত বিধানসভা নির্বাচনে ধনেখালি কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছেন তৃণমূলের অসীমা পাত্র। গত বিধানসভা ভোটে ধনেখালি কেন্দ্রে অসীমাদেবী ১ লক্ষ ২৫ হাজার ২৯৮ ভোট পেয়েছিলেন। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থীকে ৫৮ হাজার ৬৪৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। গতবার ধনেখালি কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থী পেয়েছিলেন ১৬ হাজার ৩৩৮ ভোট।    


৫। তারকেশ্বর  

তারকেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রটি আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তারকেশ্বর কেন্দ্রে জয়ী হয় তৃণমূল। তৃণমূলের রচপাল সিং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ২৭ হাজার ৬৯০ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৭ হাজার ৫৮৮। গত বিধানসভা নির্বাচনে তারকেশ্বর কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১৭ হাজার ৯৮৯।   

৬। পুরশুড়া  

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হুগলির পুরশুড়া কেন্দ্রে ১ লক্ষ ৫ হাজার ২৭৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মহম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের প্রতীম সিংহ রায়কে হারিয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭৬ হাজার ১৪৮। এই কেন্দ্রে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১৮ হাজার ২৯৬।

 ৭। উত্তরপাড়া 

 উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী প্রবীর ঘোষাল। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮৪ হাজার ৯১৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের প্রার্থী তথা অধ্যাপক ডঃ শ্রুতিনাথ প্রহরাজকে ১২ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। তবে এবার উত্তরপাড়া কেন্দ্রের সমীকরণ বদলেছে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন প্রবীর ঘোষাল। গতবার এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ২৩ হাজার ৬৮৭। প্রবীরবাবুর দল বদলে এবার এই কেন্দ্রে বিজেপির ভোট কতটা বাড়ে বা আদৌ বাড়বে কিনা তা সময় বলবে।

৮। সিঙ্গুর  

সিঙ্গুর বিধানসভা কেন্দ্র হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এটি। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হযেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৬ হাজার ২১২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের রবীন দেবকে ২০ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দিয়েছিলেন সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই। তবে এবার এই কেন্দ্রে শক্তি বেড়েছে বিজেপির। গত লোকসভা ভোটেই যার ইঙ্গিত মিলেছে। অন্যদিকে, সংগঠন পোক্ত হয়েছে বামেদেরও। এবারেও সিঙ্গুর ভোটের প্রধান ইস্যু শিল্প।


৯। শ্রীরামপুর  

গত বিধানসভা নির্বাচনে শ্রীরামপুর কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের সুদীপ্ত রায়। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭৪ হাজার ৯৯৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের প্রার্থী শুভঙ্কর সরকারকে ৯ হাজার ৯০৭ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছিলেন সুদীপ্ত রায়। ২০১৬ সালের বিধানসবা নির্বাচনে তৃতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ২৪ হাজার ৫৯।  

১০। চাঁপদানি  

রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের কেন্দ্র এটি। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সমর্থনে দাঁড়িয়ে ৮১ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়েছিলেন মান্নান সাহেব। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের মোজাফফর খানকে ৭ হাজার ২৮২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে চাঁপদানি কেন্দ্রে বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছিল ২৩ হাজারের কিছু বেশি ভোট।       

১১। চন্দননগর  

‘ফরাসডাঙ্গা’ চন্দননগর বরাবরই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চন্দননগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের গৌতম সরকারকে ২ হাজার ১১৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন ইন্দ্রনীল। গতবার এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭৫ হাজার ৭২৭।

১২। সপ্তগ্রাম  

সপ্তগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের তপন দাশগুপ্ত। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮৮ হাজার ২০৮। তিনি তাঁর নিকতটম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের দিলীপ নাথকে ১৮ হাজার ৫৬৭ ভোটে হারিয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থী পেয়েছিলেন ১৬ হাজার ৪৯৪ ভোট।   


১৩। আরামবাগ    

আরামবাগ কেন্দ্রে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের অসিত মালিককে ৩৬ হাজার ৪৫৭ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লক্ষ ৭ হাজার ৫৭৯। অন্যদিকে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আরামবাগ কেন্দ্রে সিপিএমের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭১ হাজার ১২২। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে ছিল বিজেপি। গেরুয়া দলের প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১৭ হাজার ২৬১।   

১৪। গোঘাট  

হুগলির গোঘাট কেন্দ্রে তৃণমূলের শক্তি বেশি ছিল। তবে সমীকরণটা বদলায় ২০১৯ সাসলের লোকসভা নির্বাচনের পর। ধীরে ধীরে এলাকায় পায়ের নীচের মাটি শক্ত করে বিজেপি। একাধিক ব্লক, পঞ্চায়েত স্তরের বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী যোগ দেন বিজেপিতে। যদিও গত কয়েকমাসে এলাকায় পুরনো জমি ফিরে পেতে চেষ্টার কসুর করেনি শাসকদল তৃণমূলও। দল ছেড়ে যাওয়া অনেক কর্মীই ফের তৃণমূলে ফিরেছেন। এলাকায় শক্তি ফিরে পেয়েছে শাসকদল।    তবে এবারের লড়াই টানটান হতে যাচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হুগলির গোঘাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের মানস মজুমদার। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লক্ষ ২ হাজার ৯৫৮। নিকটতম ফরওার্ড ব্লক প্রার্থী বিশ্বনাথ কারককে তিনি ৩০ হাজার ৮৮৬ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে গোঘাট কেন্দ্রে বাম প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭২ হাজার ৭২। অন্যদিকে গত বিধানসভা নির্বাচনে গোঘাট কেন্দ্রে বিজেপি পেয়েছিল ১৯ হাজারের কিছু বেশি ভোট।       

১৫। চণ্ডীতলা  

হুগলির চণ্ডীতলা কেন্দ্রে গত বিধানসভা নির্বাচনে জয় পায় তৃণমূল। তৃণমূলের স্বাতী খোন্দকার তাঁর নিকতটম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের আজিম আলি মোল্লাকে ১৪ হাজার ১৭৬ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯১ হাজার ৮৭৪। গত বিধানসভা ভোটে চণ্ডীতলা কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থী পেয়েছিলেন ১২ হাজার ৮৪৩ ভোট।

১৬। জাঙ্গিপাড়া     

জঙ্গিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের স্নেহাশিস চক্রবর্তী তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের পবিত্র সিংহ রায়কে ২৩ হাজার ৬০৫ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে জাঙ্গিপাড়া কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৯ হাজার ৩২৪। গত বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭৫ হাজার ৭১৯।  


১৭। খানাকুল  

খানকুল বিধানসভা কেন্দ্রটি আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই কেন্দ্রে ২০১১ সালের পর থেকে শাসকদলের শক্তি বরাবরই বেশি ছিল। তবে ২০১৯ সালের লোকসবা ভোটের পর থেকে এলাকায় শক্তি বেড়েছে বিজেপির। তৃণমূল ছেড়ে বহু কর্মী যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। বাম-কংগ্রেস জোটও আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে এলাকায় প্রচারে ঝড় তুলেছে।    সব মিলিয়ে আরও একটা টানটান বিধানসভা ভোটের সাক্ষী হতে যাচ্ছে খানাকুল। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে খানাকুল কেন্দ্রে জয়ী হয় তৃণমূল। তৃণমূল প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লক্ষ ৬ হাজার ৮৭৮। সিপিএম প্রার্থীকে গত বিধানসভা ভোটে তিনি হারিয়েছিলেন ৪৩ হাজারেরও বেশি ভোটে। অন্যদিকে গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি প্রার্থী পেয়েছিলেন ১৭ হাজার ৬৮৬ ভোট।

১৮। হরিপাল 

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হরিপাল কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের বেচারাম মান্না। গত বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার ৮৯৯। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে হরিপাল কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭৯ হাজার ৪২৪। বেচারাম মান্না গতবার ৩১ হাজারের বেশি ভোটে এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন। এবার এই কেন্দ্রে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল অস্বস্তি বাড়িয়েছে জোড়াফুল শিবিরের।   


কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.