বিনা পয়সায় রেশন লাগলে তৃনমূলকে ভোট দিন, ভাষণ লাগলে অন্যদের
দি নিউজ লায়নঃ বিনা পয়সায় রেশন লাগবে নাকি বিনা পয়সায় শুধু ভাষণ লাগবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন তা করে দেখান। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে দু টাকা কিলো দরে চাল দেবেন বলেছিলেন। সেই চাল দিয়েছিলেন। পরে বলেছিলেন ফ্রি তে রেশন তাও দিয়েছেন। এবার বলেছেন রেশন দোকানে নয় প্রত্যেক বাড়ির দরজায় পৌঁছে যাবে রেশন। ২ মে র পর তাই হবে। আজ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, সোনামুখী ও বিবড়দা এলাকায় তিনটি পৃথক সভা করে এই ভাষাতেই বক্তব্য রাখলেন তৃনমূলের যুব নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের সভাগুলির প্রত্যেকটিতে তৃনমূলের নির্বাচনী ইস্তেহারকে উল্লেখ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের চালু করা কন্যাশ্রী বিশ্ব বন্দিত হয়েছে।
কেন্দ্রের সরকারের কোনো প্রকল্পই বিশ্বে বন্দিত হয়নি। ২ মে রাজ্যে তৃতীয় বারের জন্য তৃনমূল রাজ্যে সরকারে এলে প্রতি কৃষককে বছরে একর প্রতি দশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ছাত্র ছাত্রীদের জন্য চার শতাংশ সুদের হারে ঋণ ও দরজায় রেশন দেওয়ার প্রকল্প চালু হবে। এদিন প্রতিটি সভাতেই বিজেপির বহিরাগত নেতাদের একহাত নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন হলেও নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যে এত দফায় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিজেপির মনে রাখা দরকার বাংলা আর উত্তরপ্রদেশ এক নয়। প্রতি দু বছর অন্তর নির্বাচনের ঠিক আগে আগে বিজেপি নেতাদের শ্যামাপোকার মতো দেখা যায়। ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে দেখা গিয়েছিল।
তারপর ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির নেতাদের দেখা গিয়েছিল। মাঝে করোনার সময় যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় জেলায় ঘুরে প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে একের পর এক বৈঠক করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে গেছেন তখন বিজেপি নেতারা করোনার ভয়ে কোথায় লুকিয়ে ছিল? ফের একবার নির্বাচন এসেছে। এখন দিল্লী থেকে উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি নেতারা উড়ে আসছেন এই বাংলায়। বিজেপি কে ভোট দেওয়া আর খাল কেটে কুমির আনা এক। এখন বিজেপি নেতারা এ রাজ্যে এসে অনুপ্রবেশের কথা বলছে।
দেশের সীমানা দেখভালের দায়িত্ব তো কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রনে থাকা বিএসএফ এর। এতদিন তারা কি ঘুমাচ্ছিল? বিজেপি এখন বলছে সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে উন্নয়নের জন্য দু লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করব। রাজ্যে ২৩ টি জেলা রয়েছে। প্রতিটি জেলার জন্য এই টাকা বরাদ্দ করলে মাথাপিছু বরাদ্দ দাঁড়ায় পাঁচ লক্ষ টাকা। বাংলার মানুষ মাথাপিছু পাঁচ লক্ষ করে টাকা পেলে আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি তৃনমূল এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়াবে। কারন তৃনমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ রাজ্যের মানুষের ভালো চায়।

Post a Comment