তৃণমূলের মদতে বাংলায় অনুপ্রবেশ চলছে, রাজনাথ সিং
দি নিউজ লায়নঃ মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোয়ালতোড় হাইস্কুল ময়দানে শালবনি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির মনোনীত প্রার্থী রাজীব কুন্ডুর সমর্থনে এক নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল।ওই জনসভায় বক্তব্য রাখেন দেশের প্রতিরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী রাজনাথ সিং । ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী রায় চৌধুরী, বিজেপি নেতা শুভজিৎ রায়, ধীমান কোলে, প্রদীপ লোধা ও প্রার্থী রাজীব কুণ্ডু সহ মোট নয় জন।
ওই সভায় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী রাজনাথ সিং তার ভাষণে বলেন খেলা হবে, শান্তির খেলা হবে ।বাংলায় দাদাগিরি চলবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের মদতে বাংলায় অনুপ্রবেশ চলছে। বিজেপি যা বলে তাই করে দেখায়। তিনি তাঁর ভাষণে আরো বলেন যে বাংলায় কোন শিল্প কারখানা নেই । তবে একটি শিল্প কারখানা রয়েছে তা হলো বোম শিল্প-কারখানা। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে বোম শিল্প-কারখানা বাংলা থেকে বন্ধ হবে ।আমফানের দুর্নীতির তদন্ত হবে ।
কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প গুলি রাজ্য সরকার রূপায়ন করেনি বলে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের নাম বাংলা আবাস প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু ওই প্রকল্প টি রাজ্য সরকারের নয়। ওই প্রকল্প টি কেন্দ্র সরকারের। তিনি আরো বলেন যে বাংলায় প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি ।বাংলায় দশ বছর আগে যে পরিবর্তন হয়েছিল ,কেবলমাত্র নামেই হয়েছিল।
বাংলা প্রকৃত পরিবর্তন দরকার। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসবে এবং বাংলার উন্নয়নে কাজ করবে। বাংলাকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন বাংলা জুড়ে যেভাবে তৃণমূল সন্ত্রাস চালাচ্ছে তার যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য বিজেপি তৈরি রয়েছে। তিনি ফাঁকা মাঠে তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেন। তেমনি কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। এদিন হাতেগোনা কিছু মানুষ ওই সভায়এসেছিলেন।
কিন্তু জনসভায় মানুষের থেকে ভিড় ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ কর্মীর। যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। তাই জেপিনাড্ডা ও অমিত শাহের সভার মত রাজনাথ সিংয়ের সভায় জঙ্গলমহলের মানুষ যায় নি। সভায় লোক না আসার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে বিজেপি নেতারা। তৃণমূল কংগ্রেস নাকি বিজেপি কর্মীদের ওই সভায় যেতে দেয়নি। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির আনা অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

Post a Comment