মোদির সভায় এলেন না দিব্যেন্দু
দি নিউজ লায়ন; আমন্ত্রণ পেয়েও কাঁথিতে মোদির সভায় গেলেন না সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। নিয়মরক্ষার জন্য পাঠালেন স্ত্রী সুতপা অধিকারীকে। ভাজপা সূত্রে খবর, দলের রাজ্য নেতৃত্বের শীর্ষস্তর থেকেই নাকি আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল দিব্যেন্দুকে। মোদির সভায় অধিকারী পরিবারের শেষ অ-বিজেপি জনপ্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন ধরে নিয়েই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল। অনেকে নিশ্চিত ছিলেন মোদির হাত থেকে পতাকা নিয়েই ভাজপাতে যোগ দেবেন দিব্যেন্দু। আচমকাই বুধবার সকাল থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে।
শান্তিকুঞ্জ থেকে বেড়লেও মোদির সভায় যাননি তিনি। বদলে তিনি পাঠান স্ত্রীকে। অনেকেরই এ প্রসঙ্গে মনে পরে যাচ্ছে শুভেন্দু যখন ভোল বদলে ভাজপায় যাওয়ার পথে তখন দিব্যেন্দু মন্তব্য করেছিলেন, 'আমাকে কি পাগলা ষাঁড়ে তাড়া করেছে যে বিজেপিতে যোগ দিতে যাব'! কেন এত বড় মঞ্চকে কাজে না লাগিয়ে মোদির সভায় গড় হাজির থাকলেন দিব্যেন্দু? সূত্রের খবর, জল মাপছেন দিব্যেন্দু। নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলকে হারানো যে কার্যত অসম্ভব তা ক্রমশ বুঝতে পারছেন দিব্যেন্দু। তাই আপাতত ভাজপাতে গিয়ে সব পথ বন্ধ করতে চান না তিনি।
ভাজপায় যোগ দিলে তার সাংসদ পদ ও খারিজ হতে পারে। পরিস্থিতি যা তাতে ফের জিতে সাংসদ হওয়া খুব মুশকিল। তাই 'ধীরে চলো' নীতি। দিব্যেন্দুর অনুপস্থিতির ব্যাপারে তার স্ত্রী সুতপাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, বিজেপিতে যোগ দেওয়া বা না দেওয়া দিব্যেন্দু অধিকারির ব্যাপার এ ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারবেন না। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের এ প্রসঙ্গে বক্তব্য, পূর্ব মেদিনীপুর তো বটেই গোটা মেদিনীপুর জেলায় বিজেপির কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। হাওয়া বুঝতে পেরে তাই ভাজপার থেকে দূরত্ব তৈরি করতে চাইছেন দিব্যেন্দু অধিকারি। তবে অধিকারী পরিবারের কোন সদস্য কি করলেন বা না করলেন তাতে তৃণমূলের কিছুই যায় আসে না।

Post a Comment