চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩ - The News Lion

চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

 


দি নিউজ লায়নঃ     চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার  করেছে।  জানা যায়, পুলিশ বিভাগে সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরি পাইয়ে দেবার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে উঠেছে। পুলিশ এক মহিলা সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনা কেতুগ্রাম থানা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধৃতরা হলেন, সহেলী চৌধুরি, বান্টি ঘোষ ওরফে পাপু এবং সঞ্জীব কোনাই। এদের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার পালিটা গ্রাম ও বর্ধমান শহরের বিধানপল্লী এলাকায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা কেতুগ্রামের পালিটা গ্রামের বাসিন্দা চৌধুরি নজরুল আলমের ভাইপো ইনজামামুল কাদের ও তাঁর দুই বন্ধুর কাছ থেকে দফায় দফায় ২০১৮ সাল থেকে মোট ১১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নিয়েছে  পুলিশ বিভাগে সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরি পাইয়ে দেবার নাম করে। চৌধুরি নজরুল আলম ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারি নাগাদ  অভিযোগ দায়ের করেন।


 অভিযোগকারী জানান, ২০১৮ সালে পালিটা গ্রামেরই বাসিন্দা সহেলী চৌধুরি তাঁদের বাড়িতে এসে তাঁর ভাইপোকে পুলিসে চাকরির পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।চাকরির আশায় তাঁরা রাজিও হয়ে যান।তারপর  ওই বছরেই মে মাস নাগাদ সহেলী চৌধুরি নজরুল আলমের বাড়িতে আসেন। সঙ্গে ছিলেন অজয় কুমার পাল ও তার এক বন্ধু বিজয় পাল। ওই দু’জনেরই বাড়ি বর্ধমান শহরের বিধানপল্লী এলাকায়। অজয় কুমার পাল নিজেকে পুলিসের অফিসার বলে পরিচয় দেয় এবং পূর্ব বর্ধমান পুলিস সুপারের অফিসে পোস্টিং আছে বলে মিথ্যা পরিচয় দেয়।নিজেদের কথাবার্তায় বিশ্বাস অর্জন করে ফেলে অজয় পালরা।সাব ইন্সপেক্টর পদে মাথাপিছু ৮ লক্ষ টাকা করে চাওয়া হয়। শর্তে রাজি হয়ে চৌধুরি নজরুল আলমের ভাইপো ইনজামামুল কাদের ও তাঁর দুই বন্ধুর কাছ থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে চাহিদামতো টাকা দেওয়া হয়।দফায় দফায় তিনজনের জন্য ১১ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়।


 অভিযোগকারী জানান ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর ওই চক্রের সদস্যরা ওই তিন চাকুরীপ্রার্থীকে কলকাতার সল্টলেক করুণাময়ী বাসস্ট্যাণ্ডে হাজির হতে বলে। সেদিন তাদের বায়োমেট্রিক পরীক্ষা হবে বলে জানানো হয়। তিনজন করুনাময়ীতে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলেও কেউ আসেনি। এরপরেই তাদের সন্দেহ হয়।তখন প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে সহেলী চৌধুরীকে ফোন করে টাকা ফেরত চাওয়া হয়।কিন্তু টাকা ফেরত পাননি।এরপর আদালতে অভিযোগ জানান  প্রতারিতরা। পূর্ব বর্ধমান জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার(গ্রামীণ) ধ্রুব দাস সাংবাদিকদের  বলেন, ” প্রতারণার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ধৃতদের জিঞ্জাসাবাদ করা হবে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.