ত্রিকোন প্রেমের জেরে প্রেমিককে অপহরণ করে আটকে রাখার অভিযোগ প্রেমিকার জামাইবাবুর বিরুদ্ধে - The News Lion

ত্রিকোন প্রেমের জেরে প্রেমিককে অপহরণ করে আটকে রাখার অভিযোগ প্রেমিকার জামাইবাবুর বিরুদ্ধে

 


দি নিউজ লায়নঃ     ত্রিকোন প্রেমের জেরে প্রেমিক কে অপহরণ করে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে প্রেমিকার জামাইবাবুর বিরুদ্ধে। অভিযোগ,২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবী করে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়েবের ১২ ঘন্টার মধ্যেই বকুলতলা থানার পুলিসের তৎপরতায় রায়দিঘি থেকে উদ্ধার অপহৃত প্রেমিক। গ্রেপ্তার অভিযুক্ত জামাইবাবু। পুলিস জানিয়েছে,ধৃতের নাম ওহিদুল মোল্লা। তাকে সোমবার দুপুরে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।   


        জানা গিয়েছে,বকুলতলার বাসিন্দা সাদ্দাম মিস্ত্রি হাওড়ায় দর্জির কাজ করে। গত শনিবার সন্ধ্যার পর নিখোঁজ ছিল এই সাদ্দাম মিস্ত্রি। তাঁর স্ত্রী বলেন,অচেনা কোন ব্যক্তির ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে চলে যায় সে। রাতে বাড়ি না ফেরায় রবিবার সকালে তাঁর ফোনে যোগাযোগ করলেও পাওয়া যায়নি। পরে স্বামী  নিজেই ফোন করে জানায় অনলাইনের মাধ্যমে তাঁর অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে,নচেত তাঁকে মেরে দেওয়া হবে। তাঁকে বারুইপুরের সূর্যপুরে রেখে দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। ফলে ভয় পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তা থানায় গিয়ে জানাই।


 এরপরেই পুলিস ওই দিন রাতেই স্বামীকে উদ্ধার করে। তদন্তকারী অফিসার বলেন,মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে জানা যায় রায়দিঘি এলাকা থেকে ফোন এসেছিল। এরপরেই রায়দিঘি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দ্রুততার সঙ্গে টিম গঠন করে তদন্তে নামা হয়। রায়দিঘির কাশীনগর বাজারে তল্লাশি চালিয়ে এক পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে সাদ্দাম মিস্ত্রী কে উদ্ধার করা হয়। কি কারণে এই অপহরণ? এই প্রশ্নে তদন্তকারী অফিসার বলেন,সাদ্দামের সঙ্গে বকুলতলার মোল্লারচকের বাসিন্দা জরিনা শেখের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। জরিনাও বিবাহিত। 


তাঁদের এই প্রেমের কথা জরিনার পরিবার জানতে পেরে আপত্তি জানায়। এমনকী,সাদ্দামের স্ত্রীও স্বামীর এই সম্পর্কের কথা জানত না। সাদ্দামকে উচিৎ শিক্ষা দিতেই তাঁকে অপহরণ করে জরিনার জামাইবাবু ওহিদুল। সে রায়দিঘি থানা এলাকার বাসিন্দা। এই কাণ্ডে আর কারা জড়িত তার সন্ধানে পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে প্রেমিকার কোন যোগসাজস আছে কিনা তাও পুলিস খতিয়ে দেখছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.