ভাইয়ের হাতে খুন দাদা, বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম ছেলেও
দি নিউজ লায়নঃ পারিবারিক জমিতে মাটি কাটা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদের জেরে হাতাহাতি মারপিট থেকে সংঘর্ষ দাদাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম ছেলেও। জঙ্গীপুর মহকুমার অন্তর্গত তিলডাঙা এলাকায় এই ঘটনা ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।মৃতের নাম বানু শেখ(৪০)। মৃতের বাড়ি তিলডাঙার দোহিতপুরে। গ্রামবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে মৃতের ছেলেও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে।
তার চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর পলাতক অভিযুক্ত। তার সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস। এব্যাপারে থানার আইসি জয়দেব ঘোষ বলেন, জমির মাটি নিয়ে দাদা ভাইয়ের মধ্যে গণ্ডগোলের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বানু সাহেব বসতবাড়ি থেকে কিছুটা দূরে পৈত্রিক জমি থেকে মাটি কাটা শুরু করেন। আর এক ভাই মেহেবুল শেখ ওরফে নাতি তাতে আপত্তি জানায়। বানু আপত্তির তোয়াক্কা না করে নিজের প্রয়োজনে মাটি কাটছিলেন। তা নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়।
তখনই মেহেবুল ঘর থেকে ধারালো হাঁসুয়া নিয়ে এসে দাদার গলায় ও হাতে একাধিক কোপ মারে বলে অভিযোগ। বানুর ছেলে রোহিত বাবাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও হাঁসুয়ার কোপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই দু’জনে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই বানুর মৃত্যু হয়। রোহিতের মাথায় ও পিঠে হাঁসুয়ার কোপ বসানো হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় রোহিতকে বেনিয়াগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরই অভিযুক্ত মেহেবুল পালিয়েছে। জানা গিয়েছে, গ্রিল কারখানার কাজ থেকে ফিরে দাদাকে মাটি কাটতে দেখে প্রতিবাদ করে মেহেবুল। মৃতের এক ভাইপো সমীর শেখ বলেন, কাকা নিজে ঘরের জন্য মাটি কাটছিল। কিন্তু মেহেবুল কাকা হাঁসুয়া এনে কোপাতে শুরু করে। মৃতের পরিবারের দাবি, দ্রুত এই ব্যবস্থায় পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করুন"।

Post a Comment