জাকির হোসেনের ওপর হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মুর্শিদাবাদের তৃণমূল নেতার উপর হামলা, মাথায় গুলি নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হাসপাতালে
দি নিউজ লায়ন ; নিমতিতা স্টেশনে মন্ত্রী জাকির হোসেনের ওপর হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতা। এবারও সেই মুর্শিদাবাদ জেলা।ঘটনাস্থল হরিহরপাড়া। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার নাম তাহাউদ্দিন মণ্ডল ওরফে লালন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে এবং সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তৃণমূল নেতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তার মাথায় গুলি লেগেছে। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপির মদতে কংগ্রেস সুপারি কিলার নিয়োগ করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মাত্র কয়েক মিটারের মধ্যে আক্রান্ত হন তৃণমূল নেতা তাহাউদ্দিন। তিন থেকে চার জন দুষ্কৃতী দুটি বাইকে এসে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে মাথায় গুলি করে তাকে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তৃণমূল নেতা। গুলির শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, দক্ষ সংগঠক তাহাউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি এবং কংগ্রেসের হিট লিস্টে রয়েছে। একাধিকবার তাকে দলবদল এর জন্য চাপ দেয়া হয়েছে।
কোন ভাবেই তাকে তৃণমূল থেকে সরাতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তার ওপর হামলা চালালো দুষ্কৃতীরা। গোটা ঘটনার পিছনে বিজেপি এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে বলে দাবি জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের। তাদের অভিযোগ মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে বিজেপি কংগ্রেস এবং সিপিএম। যে কারণে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে মন্ত্রী জাকির হোসেনের ওপর হামলা হলো এবং তার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হরিহরপাড়ায় আরো এক তৃণমূল নেতার ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালালো দুষ্কৃতীরা। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কারা হামলা চালালো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা হবে। দ্রুত দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হবে।

Post a Comment