রোগীর পরিবারকে ডেথ সার্টিফিকেট এর পরিবর্তে ধরানো হলো রেফার সার্টিফিকেট! প্রতিবাদে হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স আটকে বিক্ষোভ - The News Lion

রোগীর পরিবারকে ডেথ সার্টিফিকেট এর পরিবর্তে ধরানো হলো রেফার সার্টিফিকেট! প্রতিবাদে হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স আটকে বিক্ষোভ

 


দি নিউজ লায়নঃ     গত ১০ ই ফেব্রুয়ারী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী  থানার আনাড় গ্রামে পুলিনকুমার জানার বাজি  কারখানায় বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটেছিল। আহত হয়েছিলেন দুজন, তাদের মধ্যে রতন করের মৃত্যু হয়েছে।  ওড়িশার কটকের একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। পরিবারের লোকজন কাগজ দেখে জানতে পারেন রোগীর পরিবারকে ডেথ সার্টিফিকেট নয়, রেফার সার্টিফিকেট ধরানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স আটকে বিক্ষোভ চলে। গ্রামবাসীরা এর সুষ্ঠু সমাধানের দাবি তোলেন। 




বৃহস্পতিবার সারারাত দেহ পড়ে থাকে অ্যাম্বুল্যান্সে। শুক্রবার সকালে কেশিয়াড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।  মৃত রতন করের দেহ কেশিয়াড়ি হাসপাতালে আনার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি আনাড় গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আহত হন রতন কর ও কানাই কর।  দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আহতদের মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে কটকের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন রতন করের (৪১) মৃত্যু হয় বলে পরিবারের বক্তব্য। 


বৃহস্পতিবার মৃত দেহ বাড়ি নিয়ে আসলে দেখা যায় হাসপাতালের তরফ থেকে রেফার করা হয়েছে রোগীকে।পরিবার ও গ্রামবাসীদের অভিযোগ একদিন আগেই মৃত্যু হয়েছে রতনের। কোনো ডেথ সার্টিফিকেট না থাকার ফলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল থেকে আসা এম্বুলেন্সকে আটকে রেখে সারা রাত থেকে চলে এলাকাবাসীদের বিক্ষোভ। পুরো ঘটনাটি নিয়ে জল্পনা তৈরি হচ্ছে। রোগীর মৃত্যুর সার্টিফিকেট না দিয়ে কেন রেফার করার সার্টিফিকেট দেওয়া হল ? যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মৃত রতন করের বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছে এবং তার তিনটি মেয়েও রয়েছে। এলাকাবাসীদের বক্তব্য খুব আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে সংসার চলতো রতনের। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিল সে। তার এই মৃত্যুতে দিশেহার পরিবার। পরে পুলিশ এর হস্তক্ষেপ এ  এম্বুলেন্স টি ছেড়ে দেয় গ্ৰামবাসীরা এবং সঠিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি এবং মৃত্যুর কারণ দাবি করে স্থানীয় অধিবাসীরা।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.