দলে সম্মান নেই, হবিবপুরে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আদিবাসী নেতা প্রদীপ বাস্কে
দি নিউজ লায়নঃ হবিবপুরে বিজেপির আদিবাসী নেতা প্রদীপ বাস্কে সদলবলে যোগ দিলো তৃণমূলে। এর ফলে আদিবাসী অধ্যুষিত হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের শক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি হল বলে দাবি করেছেন দলের জেলা নেতৃত্ব। রবিবার রাতে মালদা শহরের স্টেশন রোড সংলগ্ন তৃণমূলের জেলা কার্যালয় নূর ম্যানশন ভবনে এই যোগদান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর , দলের জেলা যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস, হবিবপুরের কো-অর্ডিনেটর হেমন্ত শর্মা সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।
এদিন বিজেপির আদিবাসী নেতা প্রদীপ বাস্কে ও তার অনুগামীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল সাংসদ মৌসুম নূর। এদিন ওই আদিবাসী নেতার সঙ্গে প্রায় ১০০ কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর ওই আদিবাসী নেতা প্রদীপ বাস্কে জানিয়েছেন , ২০১৬ সালে হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। সেই সময় সামান্য ভোটে সিপিএম প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। এরপর থেকে বিজেপির হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছেন তিনি। কিন্তু দলে থেকে তাকে যোগ্য সম্মান দেওয়া হয় নি। পাশাপাশি মমতা আদিবাসীদের জন্য যে উন্নয়ন করেছেন, সেই দিকে তাকিয়েই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তিনি।
আগামীতে মুখ্যমন্ত্রীর একজন সৈনিক হিসাবে তৃণমূলে থেকে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন আদিবাসী ওই নেতা প্রদীপ বাস্কে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের "দুয়ারে সরকার" কর্মসূচি তে নানান প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে তৃণমূলে যোগ দিল শতাধিক কংগ্রেস কর্মীরা। রবিবার রাতে চাঁচল বিধানসভার কলিগ্রাম অঞ্চলের মুলাইবাড়ী সংসদে যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের। দুয়ারে সরকারের নানান প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে শতাধিক কংগ্রেস কর্মী তৃণমূলে যোগ দিয়েছে বলে দাবি করেছেন কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল দলের প্রধান রেজাউল খাঁন। মূলত মূলাইবাড়ী সংসদটি কংগ্রেসের দখলে ছিল।যোগদানকারী সফিকুল ইসলাম জানান,রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির সুবিধাগুলি হাতেনাতে পাচ্ছি তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম।
কলিগ্রাম পঞ্চায়েত বোর্ড তৃণমূলই গঠন করেছে। তবে ১৫ টি সংসদের মধ্যে বিরোধী হিসেবে চারটি সংসদ বিজেপির ও একটি কংগ্রেসের দখলে রয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর বলেন, মালদায় তৃণমূলের শক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি হয়েছে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল স্তর থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শক্তি বৃদ্ধি করেছে। বিজেপি কংগ্রেস সিপিএম ছেড়ে এখন মানুষ তৃণমূলে যোগদান করছে । মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন দেখেই মালদায় তৃণমূলে যোগদান পর্ব ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে।

Post a Comment