আগামী সপ্তাহ থেকেই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১২৪শয্যা বিশিষ্ট স্থায়ী কোভিড ইউনিট চালু হতে চলেছে
দি নিউজ লায়নঃ আগামী সপ্তাহ থেকেই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১২৪শয্যা বিশিষ্ট স্থায়ী কোভিড ইউনিট চালু হতে চলেছে। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের দুই সদস্যের টিম উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কোভিড ইউনিট পর্যবেক্ষনে আসে। টিমে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা-জয়েন্ট সেক্রেটারি হেলথ রুপম ব্যানার্জি ও টেকনিক্যাল অফিসার সুপর্ন পাল। এদিন বিকেল নাগাদ উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কোভিড ইউনিট পর্যবেক্ষণ করেন স্বাস্থ্য ভবনের টিম।
করোনার সময়তে শিলিগুড়ির দুটি প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালকে অধিগ্রহণ করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে রাজ্য সরকার। তবে রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি দার্জিলিং জেলা ও আশপাশের এলাকা সহ জেলা জলপাইগুড়িতেও করোনার গ্র্যাফ নিম্নমুখী। দার্জিলিং জেলার সমতলে দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা গড়ে ১০-১২জন। যার জেরে হাসপাতালগুলি রুগীহীন হয়ে রয়েছে। সেক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকে আটকে না রেখে বেসরকারি ওই হাসপাতাল গুলির চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিক করতে সেগুলিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।
তার পরিবর্তে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালেই চালু করা হচ্ছে ১২৪শয্যা বিশিষ্ট কোভিড ইউনিট। উত্তরবঙ্গ করোনা ওএসডি ডাঃ সুশান্ত রায় জানান ১২৪শয্যা বিশিষ্ট কোভিড ইউনিটের পৃথক সিসিইউ ও এইচডিইউ ব্লগ ও জেনারেল ওয়ার্ড থাকছে। তিনি বলেন সিসিইউ ও এইচডিইউতে ৯টি করে শয্যা থাকছে। ২৪ঘন্টা রুগীদের দেখভালের জন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীরা থাকবেন।
শুক্রবার থেকেই এটি সক্রিয়ভাবে চালু করা হবে। তিনি আরও বলেন সংক্রমনের বেগ কমায় পৃথক চিকিৎসক টিম তৈরির প্রয়োজনীয়তা এখন সেভাবে নেই। রোটেশন মোতাবেকই চিকিৎসকেরা বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করে কোভিড ইউনিটে পরিষেবা দেবেন।চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সকলেই ভ্যাকসিন নেওয়ায় সংক্রমনের আশঙ্কা ৯০শতাংশই কম।তবে এখনও সাধারণ মানুষ সকলের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে এবং কার্যকারিতাও ব্যক্তি বিশেষ ভিন্ন সেক্ষেত্রে করোনার চিকিৎসা পরিষেবার প্রদানের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে স্বাস্থ্য বিভাগকে।
উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পাশাপাশি সমস্ত জেলায় সরকারি হাসপাতালে পৃথক কোভিড ইউনিট রাখতে হবে বলে এদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন। শনিবার রায়গঞ্জে পর্যবেক্ষনে যাবে স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তারা।

Post a Comment