হেরিটেজ বিধি শিকেয় তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রকের ব্যবস্থাপনায় কোচবিহার রাজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় মহোৎসব
দি নিউজ লায়নঃ হেরিটেজ বিধি শিকেয় তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রকের ব্যবস্থাপনায় কোচবিহার রাজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় মহোৎসব। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ কোচবিহারের বিভিন্ন মহল। তাদের প্রশ্ন খোদ কেন্দ্রীয় সরকার কিভাবে কোচবিহার রাজবাড়ির মত একটি হেরিটেজ স্থাপত্যকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে একটি উৎসবের জন্য ব্যবহার করছে। যদিও এ ব্যাপারে আয়োজকদের কোন রকম বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় মহোৎসব উপলক্ষে ইতিমধ্যেই কোচবিহার রাজবাড়ির বিভিন্ন অংশে অস্থায়ী নির্মাণকাজ চলছে বিভিন্ন জায়গায় বাস কথা হচ্ছে ছাউনি দেওয়া হচ্ছে শব্দ বিধি শিকেয় তুলে লাগানো হচ্ছে মাইক বক্স।
বিভিন্ন মহলের অভিযোগ যেভাবে অস্থায়ী নির্মাণ কাজ চালানো হচ্ছে কোচবিহার রাজবাড়ির মত হেরিটেজ স্থাপত্যে আইন বিরোধী আইন মোতাবেক কোনভাবেই হেরিটেজ বিল্ডিংয়ে নির্মাণ কাজ চালানো যায় না কিন্তু সেই সব না মেনে গাজোয়ারি করে মর্জি মাফিক কাজ হচ্ছে পরিবেশবিদদের একাংশের অভিযোগ রাজবাড়ির বিভিন্ন অংশ এবং রাজবাটি সংলগ্ন এলাকায় যে সমস্ত কাজ রয়েছে জঙ্গল এলাকার রয়েছে সেখানে প্রচুর পাখির বাস রয়েছে গাছের মধ্যে বাধার ফলে এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিশাল বক্স লাগানোর ফলে বাকিরা সেখান থেকে অন্যত্র চলে যাচ্ছে এই সমস্ত কিছুই পরিবেশ আইনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি মন্ত্র কিভাবে এই ধরনের অনুষ্ঠানের অনুমতি দিচ্ছে হেরিটেজ বিল্ডিং এ।
গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন এর কর্ণধার বংশী বদন বর্মন এই বিষয়ে আলোকপাত করে বলেন, ভারত ভুক্তির চুক্তি অনুসারে ভারত সরকার কোন অবস্থাতেই কোচবিহার বাসীর ভাবাবেগে আঘাত করতে পারবে না, কোচবিহারে অবস্থিত কোন প্রতিষ্ঠান বা স্থাপত্য অবমাননা করতে পারবে না। অনুষ্ঠান হলে প্রচুর মানুষ ভেতরে পৌঁছাবে, একই সাথে বেশ কিছু হকাররা থাকবেন,সে ক্ষেত্রে রাজবাড়ির পরিষ্কার পরিছন্নতা গরিমা এবং ঐতিহ্য নষ্ট হতে পারে।অবিলম্বে জেলা প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ না নিলে গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন তরফ থেকে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও জানান বংশী বদন বর্মন। এই বিষয়ে আয়োজক সংগঠনের পক্ষে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Post a Comment