বাবার উন্নয়নের কার্ড হাতে নিয়ে ঝাড়গ্রামে জনসংযোগ যাত্রা কর্মসূচি শুরু করলেন সুরজিৎ হাঁসদা
দি নিউজ লায়নঃ সামনে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক সেই সময় ঝাড়গ্রাম শহরে জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করলেন ঝাড়গ্রামের প্রয়াত বিধায়ক রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও ডেপুটি স্পিকার ডাক্তার সুকুমার হাঁসদার পুত্র তথ্যপ্রযুক্তির ইঞ্জিনিয়ার সুরজিৎ হাঁসদা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ১৫,১৬,১৭,১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনি জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন।
তারপর তার বাবার ছবি বুকে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তার বাবা প্রয়াত ডাক্তার সুকুমার হাঁসদা বিধায়ক হিসাবে যে সব উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন,সেই সব কাজের খতিয়ান তুলে ধরে উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড তিনি মানুষের হাতে তুলে দেন,সকলের সাথে হাসি মুখে কথা বলেন এবং তাকে আশীর্বাদ করার জন্য আহ্বান জানান।প্রয়াত সুকুমার হাঁসদার ছেলেকে কাছে পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারা।
তাকে কেউ মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেন এবং কেউ কেউ তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন। বৃহস্পতিবার রাজনীতির আঙ্গিনায় তাকে প্রথম দেখা গিয়েছে। সুরজিৎ হাঁসদা তৃণমূল কংগ্রেসের এস টি সেলের রাজ্য কমিটির সদস্য ।কয়েকদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে তৃনমূলের এস টি সেলের রাজ্য কমিটির সদস্য করেছে।
২০১১ সাল এবং ২০১৬ সালে ঝাড়গ্রাম থেকে ডাক্তার সুকুমার হাঁসদা ঝাড়গ্রাম থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন ।তিনি রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন ছিলেন, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন, রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার হয়েছিলেন। তার অকাল মৃত্যুর পর তার একমাত্র ছেলে সুরজিৎ হাঁসদাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সান্তনা দিয়েছিলেন ।
তাই তিনি বৃহস্পতিবার পাড়ায় পাড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সাথে কথা বলে তাদের অভাব অভিযোগ মন দিয়ে শুনেন এবং তাদের হাতে তার বাবার উন্নয়নের কার্ড তুলে দেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার জন্য তিনি সকলের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন শান্তি ও উন্নয়নের প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জঙ্গলমহলে উন্নয়নের মাধ্যমে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। আপনারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে থাকুন তিনি আপনাদের পাশে রয়েছেন। বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করার সময় ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এর ডোবাপাড়ার বাসিন্দা দলের তরুণ কর্মী ঝন্টু মহাকুড় এর বাড়িতে তার সাথে থাকা দলীয় কর্মীদের নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যহ্নভোজ করেন।
ঝন্টু মহাকুড় খুবই গরিব পরিবারের হওয়া সত্বেও সে তার ক্ষমতা অনুযায়ী সুরজিৎ হাঁসদা ও তার সাথে থাকা সকলকে আন্তরিকতার সাথে বৃহস্পতিবার দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেন।খাওয়ার পর ওই পরিবারের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি ফের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ কর্ম সূচি শুরু করেন।৩১ বছর বয়সী সুরজিৎ হাঁসদার সাথে ছিলেন তৃনমূলের ঝাড়গ্রাম জেলার কোঅডিনেটর অজিত মাহাতো, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী চন্দন পাল,ঝন্টু মহাকুড় সহ দলের অন্যান্য কর্মীরা।সুরজিৎ হাঁসদা এভাবেই প্রতিদিন ঝাড়গ্রাম বিধানসভা এলাকার প্রতিটি এলাকায় গিয়ে জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানান ।

Post a Comment