ঠান্ডায় টনিসেলর ব্যথা বেড়েছ? সের উঠুন এই সব ঘেরায়া টাটকায়!
দি নিউজ লায়ন ; আবহাওয়া বদলাচ্ছে। একটু একটু করে শীত যেতে চলেছে। আর তার সঙ্গে ঘরে ঘরে বাড়েছ সর্দি-কাশির সমসা। অনেক সময় সর্দি-কাশি ছাড়াও গলার ভিতর খুব বথা কের, ঢোক গিলতে গেলও খুব কষ্ট হয়। এই ব্যাথা সাধারণত টনিসেল ইনেফকশেনর কারেণ হেয় থােক। এই সমসা যে কোনও বয়েসই হতে পাের।
জিভের পিছনে গলার দেয়ালের দু’পাশে গোলাকার পিণ্ডের মতো যে কোষ রয়েছে, সেটাই হল টনসিল। এই টনিসল গলা, নাক, মুখ কিংবা সাইনাস হয়ে শরীরে বাশ করা জীবাণুেক অন্ত্রে বা পেটে ঢুকতে বাধা দিয়ে থাকে।
টনসিলে সংক্রামণের ফলে ব্যথা হলে তা ঘরোয়া উপায়ে সারিয়ে তোলা যায়। আসুন, জেন নওয়া যাক টনসিলের ব্যথা কমােনার কয়েকটি অব্যর্থ ঘেরায়া টাটকা…
হলুদ দুধ:
এক কাপ গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। ছাগলের দুধ টনসিলের ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকরী। ছাগলের দুধে অ্যান্টিব্যায়টিক উপাদান আছে। তবে ছাগলের দুধ না পেলে গরুর দুধে হলুদ মিশিয়ে সামান্য গরম করে খেলেও উপকার পাওয়া যায়। হলুদ অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরী, অ্যান্টি ব্যায়টিক এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি উপাদান, যা গলা ব্যথা দূর করে টনসিলের সংক্রামণ দূর করতে সাহায্য করে।
লেবুর রস:
২০০ মিলিগ্রাম উষ্ণ জলে এক চামচ পাতিলেবুর রস, এক চামচ মধু, আধা চামচ নুন ভাল করে মিশিয়ে নিন। যত দিন গলা ব্যথা ভাল না হয়, তত দিন পর্যন্ত এই মিশ্রণটি সেবন করুন। টনসিলের সম্যসা দূর করার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী।
নুন জল:
গলা ব্যথা শুরু হলে যে কাজটি আমরা প্রায় সকলেই করে থাকি তা হল, সামান্য উষ্ণ জলে নুন দিয়ে কুলকুচি করা। এটি টনসিলে সংক্রামণ রোধ করে ব্যথা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। শুধু তাই নয়, উষ্ণ নুন জল দিয়ে কুলকুচি করলে গলায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামণের আশঙ্কাও কমে যায়।
আদা চা:
দেড় কাপ জলতে এক চামচ আদা কুচি আর আন্দাজ মতো চা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ২-৩ বার এটি পান করুন। আদার অ্যান্টি ব্যকটেরিয়াল, অ্যান্টি ইনফালামেন্টরী উপাদান সংক্রামণ ছাড়াতে বাধা দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে গলার ব্যথা কমিয়ে দিতেও সাহায্য করে।

Post a Comment