কৃষকদের আন্দোলনের মধ্যেই মালদায় দুই কৃষককে পাশে বসিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন জে পি নাডডা
দি নিউজ লায়নঃ কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সারা ভারত কৃষক সংগঠন গুলি লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিন।কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে কৃষকদের আন্দোলনের মধ্যেই মালদা শহরে দুই কৃষককে পাশে বসিয়ে মধ্যাহ্নভোজ করে এরাজ্যের কৃষকদের পাশে টানার চেষ্টা করেছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাডডা। তার বঙ্গ সফরের দিনেই কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন এবং তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার জেলা জুড়ে চাক্কা জ্যাম কর্মসূচীতে সামিল হয়েছেন বামেদের কৃষক সংগঠন গুলি। বারাসত থেকে দেগঙ্গা,হাবরা থেকে বনগাঁ সর্বত্রই চাক্কা জ্যাম করে রাস্তা অবরোধ করেছেন তারা। পোড়ানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কুশপুতুলও। বামেদের সাথে কংগ্রেসও এদিনের কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছিল।এদিনের চাক্কা জ্যামের ফলে যশোর রোড থেকে টাকি রোডে ব্যাপক যানজটের সৃস্টি হয়। নাজেহাল হয়েছেন সাধারন যাত্রিরাও।
এদিন দুপুর ১২ টা নাগাদ এস ইউ সি আইয়ের অল ইন্ডিয়া কিষান ক্ষেতমজদুর সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হন হাবরা স্টেশন চত্বরে। এরপর বিরাট মিছিল করে হাবরা শহরে মিছিল করে তারা চলে আসেন স্টেশন সংলগ্ন যশোর রোডে। সেখানেই রাস্তা অবরোধ করেন তারা। যশোর রোডে বসে পড়েন তারা।প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চলে তাদের এই অবরোধ এবং চাক্কা জ্যাম কর্মসূচী। এরফলে যশোর রোডে ব্যাপক যানজটের সৃস্টি হয়। দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করতে হয়েছে সাধারন যাত্রিদের। এস ইউ সি আইয়ের কর্মীরা যশোর রোডের উপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুতুল পুড়িয়ে দেন।
এদিন দুপুর ১ টা নাগাদ তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি নিয়ে চাক্কা জ্যামে নেমে পড়েন বামেরা। বারাসতের ডাকবাংলো মোড়ে শুরু হয় জাতীয় সড়ক অবরোধ। বামেদের এই কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্বও। প্রায় আধ ঘন্টা ধরে চলে অবরোধ। এদিনের অবরোধের ফলে একদিকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং যশোর রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। অবরোধে আটকে থাকা যাত্রিরা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করলেও এইভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরোধের মাধ্যমে সাধারন মানুষ হয়রানি করাটা সমর্থন করেন নি।
ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক সঞ্জিব চট্টোপাধ্যায় বলেন দিল্লির ঠান্ডা উপেক্ষা করে কৃষকরা লাগাতার আন্দোলন করছেন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে। অথচ হেলিকপ্টারে উড়ে এসে এদিন রাজ্যের কৃষকদের নিয়ে খিচুড়ি আর আলুর দম খেয়েছেন বিজেপিএ সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাডডা। আমরা কৃষক আন্দোলনে সাথে সঙ্গতি রেখে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছি।
এদিন দেগঙ্গার বেড়াচাপা চৌমাথায় চাক্কা জ্যাম করে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন বামেরা। টাকি রোডে বেড়াচাপা চৌমাথার ডানদিকে হাড়োয়া রোড।বাদিকে হাবরা পৃথিবা রোড। টাকি রোডে বসে বামেদের এই অবরোধের ফলে তিনটি রাস্তাই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। বাম নেতৃত্ব কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বক্তব্য পেশ করেছেন।
এদিন বনগাঁর বাটার মোড়ে যশোর রোডে কিছুক্ষন রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছেন বামেরা।

Post a Comment