রাজ্যের প্রথম টয় পার্ক-এর উদ্বোধন হলো মেদিনীপুর সদর ব্লকে
দি নিউজ লায়নঃ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন মেদিনীপুর সদর ব্লক এলাকায় রাজ্যের প্রথম খেলনা তৈরির কারখানার জন্য ৮ একর জমিতে টয় পার্ক তৈরি করা হলো মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন মেদিনীপুর সদর ব্লকের খাসজঙ্গল এলাকাতে সোমবার এই পার্কের আনুষ্ঠানিক ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে আপাতত একুশটা কোম্পানি এই পার্কে খেলনা তৈরির কারখানা তৈরি করবেন। এর জন্য রাজ্যর তহবিল থেকে একশো কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
যেখানে প্রথমেই কর্মসংস্থান হবে দেড় হাজার জনের। এতে অনেক যুবক,যুবতীরা কাজ পাবেন।মেদিনীপুর শহরের শিল্প তালুকের নতুন সংযোজন এই টয় পার্ক এলাকা। খাস জঙ্গল এলাকায় ইতিমধ্যেই বহু ছোট-বড় কল কারখানা রয়েছে।৩৫ টি কারখানা এই মুহূর্তে সক্রিয়ভাবে উৎপাদন করছে বিভিন্ন জিনিসের। সেই সংলগ্ন এলাকাতেই আট একর জমির ওপর এই টয় পার্ক তৈরি করা হলো। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এই পার্কের উদ্বোধন করেছেন। তা হলেও উদ্বোধন স্থলে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক রেশমি কোমল ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি অজিত মাইতি থেকে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরাও।
জেলাশাসক ডাক্তার রেশমী কোমল জানিয়েছেন-প্রস্তাবিত এই টয় পার্কে ২১ টি ইউনিট করা যাবে। কিছুদিনের মধ্যে ১০০ কোটির বিনিয়োগ হচ্ছে এখানে। প্রথমেই দেড় হাজার জনের বেশি কর্মসংস্থান হচ্ছে।এই উদ্বোধন স্থলে উপস্থিত হয়েছেন ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারী। তারা জানাচ্ছেন রাজ্যে এই প্রথম খেলনার ক্লাস্টার তৈরি হবে মেদিনীপুরের এই প্রস্তাবিত টয় পার্কে। আশা করব দ্রুত আরো কর্মসংস্থান বাড়বে।
এতেই খুশির হাওয়া গোটা জেলা জুড়ে, এই সম্বন্ধে এক শিল্পপতি অনির্বাণ গুপ্ত জানান-চীনা পণ্য বয়কট করার পর স্বদেশী খেলনা তৈরির উদ্যোগ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যেই জেলার কেশপুরে সফট টয় তৈরি হয়। তার বাজার রয়েছে। এখানে এই ধরনের খেলনা তৈরি হলে খেলনার বাজার আরো খুলে যাবে। চীনের ওপর নির্ভরতা টাও কমবে খেলনার ক্ষেত্রে।
অন্যদিকে আর এক শিল্পপতি চন্দন বসু বলেন ধীরে ধীরে রাজ্যে একাধিক কারখানা তৈরি হবে আপাতত দেড় হাজার বেকারদের কর্মসংস্থান হবে এতে উপকৃত হবে বহু পরিবার।
Post a Comment