বাংলার মতুয়ারা মমতা বন্দ্যোপধ্যায়ের হাত ছাড়বেন না, জ্যোতিপ্রিয়
দি নিউজ লায়নঃ বাংলার মতুয়ারা মমতা বন্দ্যোপধ্যায়ের হাত ছাড়বেন না। যারা যতোই প্রলোভন দেখাক না কেন, মতুয়ারা আসল নকল ঠিকই চিনে নেবেন। তারা মমতা বন্দ্যোপধ্যায়ের উপরেই আস্থা রাখবেন। শুক্রবার বিকালে হাবড়া বিধানসভা এলাকার মছলন্দপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফুলতলায় মতুয়া সন্মেলনে যোগ এভাবেই এবারে মতুয়াদের উপর পূর্ণ আস্থা ব্যাক্ত করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
তিনি বলেন, আজ বিজেপি এসে মতুয়দের নাগরিকত্বের টোপ ধরচ্ছে। মতুয়ারা সত, বিশ্বাসী এবং ধর্মপরায়ণ। তাই বলে মতুয়দের নিয়ে ভাঁওতাবাজির রাজনীতি আমরা করতে দেবো না। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, মতুয়ারা সকলেই আমাদের দ্দেশের নাগরিক। তাদের ভোটার কার্ড আছে, রেশন কার্ড আছে, আধার কার্ড আছে। নিজস্ব জমির পাট্টা আছে।
মতুয়ারা যদি নাগরিকই না হন, তাহলে তাঁরা ভোট দিচ্ছেন কি করে। আর মতুয়াদের ভোটে জিতে বিজেপি আজ তাদের নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলছে! এখানেই পরিস্কার মতুয়াদের নিয়ে স্রেফ রাজনীতি করা হচ্ছে। জ্যোতিপ্রিয় দাবি করেন, বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেছেন তা এককথায় প্রশংসনীয়। মতুয়া সম্প্রদায়ের বড়মা বীনাপানি দেবীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ছিলো মা ও মেয়ের মতো।
বীনাপানি এবী যতোবার অসুস্থ হয়েছেন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে উপযুক্ত চিকিতসার ব্যাবস্থা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জীবোদ্দশায় বড়মা বীনাপানি এবী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে যা যা চেয়েছিলেন সবই তিনি পূরণ করে দিয়েছিলেন। বাকি রাখেননি কিছুই। ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়ির উন্নয়ন যেমন ঘটানো হয়েছে, তেমনি ঠাকুর হরিচাদ গুরুচাদের নামে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ফলে মতুয়ারা আগেও যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্যোপধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন, এখনও তেমনি আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। এবার একুশের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস গোটা রাজ্যে ২৩০ টির বেশী আসনে জয়লাভ করবে বলেও দাবি করেন জ্যোতিপ্রিয়। তিনি বলেন, উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতে বিজেপি যতোই লাফালাফি করুক, এই জেলায় তৃণমূলের মাটিতে তারা দাঁত ফোটাতে পারবে না। বাংলার মানুষ একুশের নির্বাচনে বিজেপিকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়ে আছেন।

Post a Comment