তিন জেলায় চারটি পৃথক দুর্ঘটনায় মৃত ৩ জখম ১৬
দি নিউজ লায়নঃ তিন জেলায় চারটি পৃথক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিনজনের। জখম ১৬। পিকআপ ভ্যান এবং টোটোর মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল চালকসহ দুইজনের। আহত হয়েছেন তিন যাত্রী। মৃত এবং আহতেরা প্রত্যেকে টোটো গাড়ির যাত্রী ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে এই পথ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রতুয়া থানার সামসি গ্রাম পঞ্চায়েতের রতুয়া সিনেমা হল সংলগ্ন রাজ্য সড়কে। এই ঘটনার পর ওই এলাকার সড়কে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তদন্তে পৌঁছায় রতুয়া থানার পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মৃত ও আহতদের উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করানো হয়।
এই পথ দুর্ঘটনার পর পিকআপভ্যানের ধাক্কায় টোটোটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। দুটি গাড়ি আটক করেছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যাত্রীর নাম ইরফান আলি (৬৫)। তার বাড়ি রুহিমারি এলাকায়। মৃত টোটো চালকের নাম দিলবার শেখ (৩০)। তার বাড়ি রতুয়া স্ট্যান্ড এলাকায়। এদিন ভোরে ওই টোটো করে ছয় জন যাত্রী টমেটো বোঝাই করে স্থানীয় একটি বাজারে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রতুয়া সিনেমা হলের কাছে উল্টো দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রন হারিয়ে দ্রুতগতিতে সামনাসামনি এসে টোটোটিতে ধাক্কা মারে।
ঘটনাস্থলে দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে চালক এবং যাত্রীরা। মাথায় চোট পেয়ে চালকসহ এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটো ও ইঞ্জিন ভ্যানে সংঘর্ষ হলে জখম হয় ১০ জন যাত্রী।এর মধ্যে ১ জন চার বছরের শিশুপুত্র।ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার হালদারঘেরী এলাকায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে ক্যানিং অটো স্ট্যান্ড থেকে একটি অটো ১১ জন অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ধামাখালির দিকে যাচ্ছিল।সেই সময় ধামাখালি থেকে একটি ইঞ্জিন ভ্যান আসছিল।সেই সময় হঠাৎই অটো ও ইঞ্জিন ভ্যানে সংঘর্ষ হলে গুরুত্বর জখম হয় অটো যাত্রীরা। মাল বোঝাই মিনি ম্যাটাডোর ও টোটোর সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল একজনের। ঘটনায় গুরুতর জখম আরও দুই।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা নাগাদ নবদ্বীপ- কৃষ্ণনগর রাজ্য সড়কের উপর গৌরনগর এলাকায়। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম রামপ্রসাদ সাউ (৩২)। তার বাড়ি নবদ্বীপ পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের পোড়াঘাট স্ট্যান্ড রোড এলাকায়। আহতদের নাম যথাক্রমে রবি দাস ও মানিক সামন্ত। প্রথমজনের বাড়ি নবদ্বীপ পৌরসভার ২২ নং ওয়ার্ডের ফাঁসিতলা ঘাট এলাকায়। দ্বিতীয়জনের বাড়ি নাদনঘাট থানার চণ্ডীপুর গ্রামে। ঘটনার পর পরই ঘাতক ম্যাটাডোর চালক এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

Post a Comment